আজঃ সোমবার, ০৯ মার্চ, ২০২৬ -এ ২৫ ফাল্গুন ১৪৩২ - ২০ রমজান ১৪৪৭
  • আজ রংপুরের আবহাওয়া
• শৃঙ্খলা ভাঙলেই সর্বনাশ, প্রশাসনের সঙ্গে সংঘাত নয় : হুইপ আখতারুজ্জামান মিয়া • পঞ্চগড়ে মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ২৭০ কোটি টাকার মালিক দাবি, আয়ের উৎস নিয়ে প্রশ্ন • পার্বতীপুরে বিএনপির ইফতার মাহফিলে সাবেক মেয়র মিনহাজুল হককে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা • নারী দিবসে নারী প্রশিক্ষক লাঞ্ছনার প্রতিবাদে পঞ্চগড়ে মানববন্ধন, উপপরিচালকের প্রত্যাহার দাবি • ফুলছড়িতে আন্তর্জাতিক নারী দিবসে কুইজ, র‍্যালি, মানববন্ধন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত • শৃঙ্খলা ভাঙলেই সর্বনাশ, প্রশাসনের সঙ্গে সংঘাত নয় : হুইপ আখতারুজ্জামান মিয়া • পঞ্চগড়ে মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ২৭০ কোটি টাকার মালিক দাবি, আয়ের উৎস নিয়ে প্রশ্ন • পার্বতীপুরে বিএনপির ইফতার মাহফিলে সাবেক মেয়র মিনহাজুল হককে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা • নারী দিবসে নারী প্রশিক্ষক লাঞ্ছনার প্রতিবাদে পঞ্চগড়ে মানববন্ধন, উপপরিচালকের প্রত্যাহার দাবি • ফুলছড়িতে আন্তর্জাতিক নারী দিবসে কুইজ, র‍্যালি, মানববন্ধন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

আলুর দাম কম থাকায় তারাগঞ্জের আলুচাষীদের মাথায় হাত

Nuclear Fusion Closer to Becoming a Reality6

এনামুল হক দুখু

এনামুল হক দুখু , তারাগঞ্জ , রংপুর প্রতিনিধিঃ

আপডেটঃ 3 মার্চ, 2026

রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলায় আলুর বাম্পার ফলন এবারও কৃষকের মুখে হাসি আনতে পারেনি। 

বাজারে এক কেজি আলু বিক্রি হচ্ছে ৮ থেকে ৯ টাকায়, অথচ উৎপাদন খরচ পড়ছে গড়ে ১৬ থেকে১৭ টাকা।  ফলে মৌসুমের শুরুতেই লোকসানের শঙ্কায় পড়েছেন চাষিরা।

রামপুরা গ্রামের  কৃষক জাহিদুল ইসলাম বলেন, গত বছর আলুতে প্রায় এক লাখ টাকার বেশি ক্ষতি হয়েছে। এবারও যদি একই অবস্থা হয়, তাহলে চাষাবাদ টিকিয়ে রাখা কঠিন হয়ে যাবে।

উপজেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, গত বছর  পাঁচটি ইউনিয়নে ৪ হাজার ৫৩০ হেক্টর জমিতে আলু চাষ হয়ে উৎপাদন হয়েছিল ১ লাখ ৪২ হাজার ৯৫ মেট্রিক টন। কিন্তু উপজেলায় থাকা তিনটি হিমাগারের মোট ধারণক্ষমতা মাত্র ১৬ হাজার টন।

ফলে বিপুল পরিমাণ আলু সংরক্ষণের বাইরে থেকে যায়। অনেক কৃষক বাড়ির উঠান বা অস্থায়ী গুদামে আলু রাখেন, যার একটি বড় অংশ নষ্ট হয়। এতে কম দামে বিক্রি করা ছাড়া উপায় থাকে না।

চলতি মৌসুমে আবাদ কমে ৩ হাজার ৪৬৩ হেক্টরে নামলেও ফলন ভালো হয়েছে বলে জানিয়েছে কৃষি বিভাগ। তবে বাজারদর উৎপাদন ব্যয়ের নিচে থাকায় সেই ফলনই এখন কৃষকের জন্য বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আলমপুর ইউনিয়নের পীরপাড়া গ্রামের মিলন মিয়া  বলেন, এভাবে লস খেতে থাকলে আলুর আবাদ ছেড়ে দিতে হবে। এত কষ্ট করে চাষ করেও যদি ন্যায্য দাম না পাই, তাহলে বাঁচব কীভাবে?

আলুচাষিদের দাবি, ন্যূনতম সহায়ক মূল্য নির্ধারণ, সরাসরি সরকারি ক্রয় এবং হিমাগারের ধারণক্ষমতা বৃদ্ধি করা জরুরি। তা না হলে প্রতিবছরই একই সংকটের পুনরাবৃত্তি হবে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ধীবা রানী রায় জানান, বাজার পরিস্থিতি ও সংরক্ষণ সমস্যার বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। তাঁর মতে, উৎপাদন ভালো হলেও বাজারদর স্থিতিশীল না হলে কৃষকের কষ্ট লাঘব হবে না।

উৎপাদন ও বাজার ব্যবস্থাপনার এই অসামঞ্জস্য দূর না হলে, তারাগঞ্জে আলু চাষ ধীরে ধীরে কমে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন  অনেকেই।
 

মন্তব্য লিখুন

সাম্প্রতিক মন্তব্য

কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

সম্পাদকের কলাম

সাইদুর রহমান
সাইদুর রহমান
সাইদুর রহমান
সাইদুর রহমান

মতামত ও কলাম

ড. মাহফুজ পারভেজ
অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী
মামুন রশীদ
মো. নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া
ডঃ সাদিক আহমেদ বিপুল
image