আজঃ বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬ -এ ৪ ভাদ্র ১৪৩৩ - ৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮
  • আজ রংপুরের আবহাওয়া
• হাবিপ্রবিতে বৃক্ষরোপন কর্মসূচীর উদ্বোধন • বেরোবিতে পাঁচ দফা দাবিতে শিবিরের নেতাকর্মীদের স্মারকলিপি • সময় থাকলেও ধান কেনা বন্ধ, কৃষকেরা হতাশ • দিনাজপুরে ২৯ বিজিবি'র উদ্যোগে ১৫ জন যুবক পেল ইলেকট্রিক্যাল প্রশিক্ষণ, টুলস ও সনদপত্র • ঠাকুরগাঁওয়ে নিখোঁজ কিশোরীকে ফিরে পেতে পরিবারের আকুতি • হাবিপ্রবিতে বৃক্ষরোপন কর্মসূচীর উদ্বোধন • বেরোবিতে পাঁচ দফা দাবিতে শিবিরের নেতাকর্মীদের স্মারকলিপি • সময় থাকলেও ধান কেনা বন্ধ, কৃষকেরা হতাশ • দিনাজপুরে ২৯ বিজিবি'র উদ্যোগে ১৫ জন যুবক পেল ইলেকট্রিক্যাল প্রশিক্ষণ, টুলস ও সনদপত্র • ঠাকুরগাঁওয়ে নিখোঁজ কিশোরীকে ফিরে পেতে পরিবারের আকুতি

সময় থাকলেও ধান কেনা বন্ধ, কৃষকেরা হতাশ

Nuclear Fusion Closer to Becoming a Reality6

আনোয়ার হোসেন

আনোয়ার হোসেন , গাইবান্ধা সদর , গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ

আপডেটঃ 18 আগস্ট, 2026

গাইবান্ধায় ধান চাল সংগ্রহ অভিযানের শেষ সময় নির্ধারিত আছে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত; কিন্তু জেলায় ধান সংগ্রহ অভিযান বন্ধ করে দিয়েছে খাদ্য বিভাগ। এতে পাইকারদের কাছে কম দামে ধান বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন কৃষকেরা।

 

বাংলাদেশ কৃষক সমিতির জেলা শাখার সভাপতি সাদেকুল ইসলাম বললেন, কৃষকের গোলায় এখনো ধান আছে। কিন্তু খাদ্য বিভাগ ধান কিনছে না। সরকার প্রতি মণ ধান ১ হাজার ৪৪০ টাকা নির্ধারণ করলেও স্থানীয় বাজারে প্রতি মণ মোটা ধান ৮৫০ টাকা ও চিকন ৯৫০ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে। ধান ক্রয় বন্ধ করায় কৃষকেরা দিশাহারা হয়ে পড়েছেন। তিনি নির্ধারিত সময় পর্যন্ত ধান কেনা অব্যাহত রাখার দাবি জানান।

 

জেলা খাদ্য বিভাগ সূত্র জানায়, এ বছর জেলায়

বোরো ধান ক্রয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয় ৯ হাজার ৫৬৩ মেট্রিক টন। ৩ মে থেকে সরকারিভাবে ধান চাল কেনা শুরু হয়। চলার কথা ৩১ আগস্ট পর্যন্ত। কিন্তু গাইবান্ধা খাদ্য বিভাগ ৯ আগস্ট থেকে ধান ক্রয় বন্ধ করে দেয়। সূত্রটি আরও জানায়, জেলায় ১১টি খাদ্যগুদামে ধান ও চালের ধারণক্ষমতা ৪৩ হাজার মেট্রিক টন। বর্তমানে মজুত আছে ৩৯ হাজার মেট্রিক টন।

 

কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর জেলায় বোরো ধানের চাষ হয়েছে ১ লাখ ২৯ হাজার ২০ হেক্টর। বোরো উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয় ৮ লাখ ৯৪ হাজার ১০৮ মেট্রিক টন। উৎপাদন হয়েছে ৮ লাখ ৯২ হাজার ১৭৩ মেট্রিক টন।

 

গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার হরিরামপুর গ্রামের কৃষক মিল্লাত হোসাইন বলেন, এ বছর তাঁর জমিতে প্রায় ২০০ মণ বোরো ধান উৎপাদন হয়। এর মধ্যে ৬০ মণ খাওয়ার জন্য রেখেছেন। বাকি ১৪০ মণ ধান বিক্রি করে সংসারের দায়দানা মেটাবেন। কিন্তু বর্তমান বাজারে প্রতি মণ ধান ৮৫০ থেকে ৯৫০ টাকা বেচাকেনা হচ্ছে। এই দামে ধান বিক্রি করলে লোকসান গুনতে হবে। সরকারি গুদামে ধান বিক্রি করতে পারলে লাভ হতো।

 

সময় থাকলেও ধান কেনা বন্ধ রাখা প্রসঙ্গে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক নিত্যানন্দ কুন্ডু মুঠোফোনে বলেন, লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় অতিরিক্ত ধান কেনা হয়েছে। তাই ধান ক্রয় বন্ধ রাখা হয়েছে।

 

মন্তব্য লিখুন

সাম্প্রতিক মন্তব্য

কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

সম্পাদকের কলাম

সাইদুর রহমান
সাইদুর রহমান
সাইদুর রহমান
সাইদুর রহমান

মতামত ও কলাম

ড. মাহফুজ পারভেজ
অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী
মামুন রশীদ
মো. নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া
ডঃ সাদিক আহমেদ বিপুল
image