আজঃ বুধবার, ০৫ আগস্ট, ২০২৬ -এ ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ - ২০ সফর ১৪৪৮
  • আজ রংপুরের আবহাওয়া
• ছাত্রদলের অবস্থান কর্মসূচি ঘিরে থমথমে বেরোবি, জোরদার নিরাপত্তা • চিকিৎসার অর্থের অভাবে মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছে মাদ্রাসাছাত্রী উম্মে হানী • শিবির-ছাত্রদলের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি, বেরোবিতে ১৪৪ ধারা চেয়ে থানায় চিঠি • ঘোড়াঘাটে ভুতুড়ে বিদ্যুৎ বিল, লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত জনজীবন • ভূল্লী উপজেলার প্রথম স্থায়ী ইউএনও হিসেবে যোগ দিলেন সাদ্দাম হোসেন • ছাত্রদলের অবস্থান কর্মসূচি ঘিরে থমথমে বেরোবি, জোরদার নিরাপত্তা • চিকিৎসার অর্থের অভাবে মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছে মাদ্রাসাছাত্রী উম্মে হানী • শিবির-ছাত্রদলের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি, বেরোবিতে ১৪৪ ধারা চেয়ে থানায় চিঠি • ঘোড়াঘাটে ভুতুড়ে বিদ্যুৎ বিল, লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত জনজীবন • ভূল্লী উপজেলার প্রথম স্থায়ী ইউএনও হিসেবে যোগ দিলেন সাদ্দাম হোসেন

পঞ্চগড়ে মাইকিং করে চা বাগান দখলচেষ্টার অভিযোগ

Nuclear Fusion Closer to Becoming a Reality6

ইকবাল বাহার

ইকবাল বাহার , পঞ্চগড় সদর , পঞ্চগড় প্রতিনিধিঃ

আপডেটঃ 3 আগস্ট, 2026

পঞ্চগড় সদর উপজেলার একটি চা বাগানের আংশিক জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই বিরোধ চলছে স্থানীয়দের। সেই বিরোধের জের ধরে এবার মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে তারা বাগানের জমি দখলের চেষ্টা করেছেন—এমন অভিযোগ চা বাগান কর্তৃপক্ষের। কর্তৃপক্ষের দাবি—স্থানীয় অন্তত ৫০ জন ব্যক্তি চা বাগানে গিয়ে চা শ্রমিকদের সঙ্গে মারমুখী আচরণ করে কাজে বাধা দেন।

শনিবার (২ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার হাড়িভাসা ইউনিয়নের পাহাড়বাড়ি এলাকার এম.এম. টি. স্টেটে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পুলিশ।

এদিকে, চা শ্রমিকদের সঙ্গে মারমুখী আচরণের একটি ভিডিও প্রতিবেদকের হাতে এসেছে। সেখানে দেখা যায়, বাগানে কাজ করছিলেন শ্রমিকরা। এমন সময় একদল লোক সেখানে আসেন। কারও হাতে লাঠি, কারও হাতে কুড়াল দেখা যায়। বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে জনৈক ব্যক্তি একজন চা শ্রমিককে কুড়াল উঁচিয়ে মারমুখী আচরণ করেন।

বাগান কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, বিভিন্ন সময় মসজিদ কমিটির লোকজনসহ স্থানীয়রা বাগানের জমি দাবি করে হুমকি-ধমকি দিয়ে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার জিন্নাতপাড়া গ্রামের লিটন, সুজন, আলম, হযরতসহ অন্তত ৫০ জন লাঠি-সোঁটা এবং কুড়াল নিয়ে অবৈধভাবে বাগানে প্রবেশ করে এবং বাগানে কর্মরত শ্রমিকদের কাজে বাধা দেয়। শ্রমিকদের হাত থেকে কেড়ে নেয় বাগান থেকে উত্তোলন করা কাঁচা পাতাগুলোও। প্রতিবাদ করলে শ্রমিকদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়ান এবং মারমুখী হয়ে হুমকি দেয়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পার্শ্ববর্তী জিন্নাতপাড়ার লোকজন দীর্ঘদিন ধরেই দাবি করে আসছে, বাগানে উত্তর জিন্নাতপাড়া জামে মসজিদের জমি রয়েছে। এ নিয়ে একাধিকবার সালিস-বৈঠক হলেও কোনো সুরাহা মেলেনি।

এম.এম. টি. স্টেটের ব্যবস্থাপক সোহেল রানা বলেন, জিন্নাতপাড়া গ্রামের লোকজন দাবি করছে এখানে মসজিদের জমি আছে; কিন্তু একাধিকবার সালিস বসলেও তাঁরা সঠিক কোনো ডকুমেন্ট দেখাতে পারেনি। সর্বশেষ থানাতেও বসা হয়েছিল, সেখানেও তারা তাদের অভিযোগ প্রমাণ করতে পারেনি।

তিনি বলেন, এই জমি এম.এম. টি. স্টেটের ক্রয় করা। জমির আর.এস. হাল রেকর্ড সম্পন্নসহ আমাদের নামে খতিয়ানভুক্ত রয়েছে। আমরা প্রতিবছর খাজনা পরিশোধ করে আসছি। আমাদের দখলে থাকা এই চা বাগান চা বোর্ডের অধীনে নিবন্ধিত। তারপরও কারও যদি কোনো অভিযোগ থাকে, সে ক্ষেত্রে বিদ্যমান আইন রয়েছে। আইন অনুযায়ী তারা পদক্ষেপ নিতে পারে।

এ ব্যাপারে জিন্নাতপাড়া গ্রামের আলম বলেন, আমরা সর্বশেষ থানায় বসেছিলাম। সেখানে সুরাহা হয়নি। পরবর্তীতে আবারও বসার সিদ্ধান্ত হয়। তবে কথা ছিল—সুরাহা না হওয়া পর্যন্ত বাগানের বিরোধীয় অংশের চা পাতা কর্তন বন্ধ থাকবে। কিন্তু বাগান কর্তৃপক্ষ কথা রাখেনি, তাই গ্রামের লোকজন গিয়ে বাধা দিয়েছে।

পঞ্চগড় সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোখলেসুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছিলাম। পুলিশ উভয়পক্ষকে আইনশৃঙ্খলার বিঘ্ন না ঘটাতে পরামর্শ দেন।

মন্তব্য লিখুন

সাম্প্রতিক মন্তব্য

কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

সম্পাদকের কলাম

সাইদুর রহমান
সাইদুর রহমান
সাইদুর রহমান
সাইদুর রহমান

মতামত ও কলাম

ড. মাহফুজ পারভেজ
অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী
মামুন রশীদ
মো. নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া
ডঃ সাদিক আহমেদ বিপুল
image