ডিমলা থানা ভবনের ছাদের পলেস্তার খসে পড়লো ডিউটি অফিসারের মাথায়
নীলফামারীর ডিমলার জরাজীর্ণ ভবনের ছাদের পলেস্তার খসে পড়ে ডিউটি অফিসার এএসআই মো. মসলিম উদ্দিন আহত হয়েছেন। একই ঘটনায় পুলিশের সরকারি কাজে ব্যবহৃত একটি ডেস্কটপ কম্পিউটার ভেঙে সম্পূর্ণ অকেজো হয়ে গেছে।
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার সময় ডিউটি অফিসারের কক্ষে আরও তিনজন সেবাগ্রহীতা ছিলেন। এ ঘটনার পর পুরোনো ও ঝুঁকিপূর্ণ থানা ভবনে কর্মরত পুলিশ সদস্য ও সেবা নিতে আসা মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।
পুলিশ জানায়, ঘটনার সময় ডিউটি অফিসারের দায়িত্বে ছিলেন এএসআই মো. মসলিম উদ্দিন। হঠাৎ কক্ষের ছাদের বড় একটি অংশের পলেস্তারা খুলে তাঁর কাঁধের ওপর পড়ে। এতে তিনি আহত হন। পরে তাঁকে চিকিৎসার জন্য ডিমলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়। ছাদ থেকে খসে পড়া পলেস্তারা পড়ে থানার পুলিশি কার্যক্রমে ব্যবহৃত সরকারি একটি ডেস্কটপ কম্পিউটারও ভেঙে সম্পূর্ণ অকেজো হয়ে যায়।
আহত এএসআই মো. মসলিম উদ্দিন বলেন, ‘ডিউটি অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলাম। এ সময় আমার কক্ষের ছাদের পলেস্তারা আচমকা খুলে পড়ে। এতে আমার কাঁধে আঘাত লাগে।’
জানা যায়, ডিমলা থানা ভবনটির বিভিন্ন অংশ দীর্ঘদিন ধরে জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে। দোতলা ভবনের বিভিন্ন স্থান দিয়ে বৃষ্টির পানি চুইয়ে পড়ে। অনেক জায়গায় ছাদ ও দেয়ালের পলেস্তারা খুলে রড বেরিয়ে গেছে। কোথাও কোথাও পলেস্তারা খসে খসে পড়ছে। ভবনের বিভিন্ন অংশে স্যাঁতসেঁতে ও ক্ষয়ের চিহ্নও রয়েছে। এই জরাজীর্ণ ভবনে ৬২ জন পুলিশ সদস্য কর্মরত আছেন।
ডিমলা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শওকত আলী সরকার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘বিষয়টি ইতোমধ্যে পুলিশ সুপারকে অবহিত করেছি। তিনি বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে দেখছেন। আগামীকালই হয়তো মেরামতের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘দুর্ঘটনা কখনো বলে-কয়ে আসে না। আমার আগে যারা দায়িত্বে ছিলেন, তাঁরা ইতোমধ্যে নতুন ভবনের চাহিদা পাঠিয়েছেন। অল্প সময়ের মধ্যে নতুন ভবন নির্মাণ হবে, এমনটাই প্রত্যাশা করছি।’
সাম্প্রতিক মন্তব্য
কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
মন্তব্য লিখুন