আজঃ সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬ -এ ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ - ১১ সফর ১৪৪৮
  • আজ রংপুরের আবহাওয়া
• তারাগঞ্জে শিক্ষাবৃত্তির টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, প্রতিকার চেয়ে ইউএনওর দ্বারে শিক্ষার্থী • জমি ক্রেতার বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ, প্রতিবাদে স্বামীর সংবাদ সম্মেলন • নীলফামারীতে সাইবার সেল গঠনের দেড় মাসেই উদ্ধার ২০ হারানো মোবাইল, ফেরত পেলেন প্রকৃত মালিকরা • আইন প্রয়োগকারী ও সেবাদানকারী সংস্থার সমন্বয়ে রেফারেল সেবা জোরদারে হাকিমপুরে কর্মশালা • ঠাকুরগাঁওয়ে বৈধ চালান ছাড়াই ৩৮০ বস্তা ডিএপি সার জব্দ, চালক-হেলপারকে জরিমানা • তারাগঞ্জে শিক্ষাবৃত্তির টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, প্রতিকার চেয়ে ইউএনওর দ্বারে শিক্ষার্থী • জমি ক্রেতার বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ, প্রতিবাদে স্বামীর সংবাদ সম্মেলন • নীলফামারীতে সাইবার সেল গঠনের দেড় মাসেই উদ্ধার ২০ হারানো মোবাইল, ফেরত পেলেন প্রকৃত মালিকরা • আইন প্রয়োগকারী ও সেবাদানকারী সংস্থার সমন্বয়ে রেফারেল সেবা জোরদারে হাকিমপুরে কর্মশালা • ঠাকুরগাঁওয়ে বৈধ চালান ছাড়াই ৩৮০ বস্তা ডিএপি সার জব্দ, চালক-হেলপারকে জরিমানা

তারাগঞ্জে শিক্ষাবৃত্তির টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, প্রতিকার চেয়ে ইউএনওর দ্বারে শিক্ষার্থী

Nuclear Fusion Closer to Becoming a Reality6

এনামুল হক দুখু

এনামুল হক দুখু , তারাগঞ্জ , রংপুর প্রতিনিধিঃ

আপডেটঃ 27 জুলাই, 2026

রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলায় এক শিক্ষার্থীর শিক্ষাবৃত্তির অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্য অর্থ না পেয়ে প্রতিকার চেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর লিখিত আবেদন করেছেন ওই শিক্ষার্থী।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী তাপস সরকার ২০২০ সালে তারাগঞ্জ উপজেলা সমাজসেবা অফিসের মাধ্যমে দলিত সম্প্রদায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য প্রদত্ত শিক্ষাবৃত্তি কর্মসূচির আওতায় অন্তর্ভুক্ত হন।

তাপস সরকারের অভিযোগ, প্রথম কিস্তির ১৪ হাজার টাকা তার নামে চেকের মাধ্যমে সোনালী ব্যাংক থেকে উত্তোলন করা হয়। টাকা উত্তোলনের পর উপজেলা সমাজসেবা অফিসের ফিল্ড সুপারভাইজার মো. আব্দুল্লাহ-আল-মামুন তাকে দেখা করতে বলেন। পরে দেখা করলে তিনি তাকে ৫ হাজার টাকা দেন এবং বাকি টাকা নিজের কাছে রেখে দেন। পরবর্তীতে দুর্গাপূজা উপলক্ষে বোনের জন্য পোশাক কেনার কথা বলে তিনি আরও ১ হাজার টাকা নেন। ফলে ১৪ হাজার টাকার মধ্যে তিনি মাত্র ৬ হাজার টাকা পান এবং অবশিষ্ট ৮ হাজার টাকা আর পাননি।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, শিক্ষাবৃত্তির দ্বিতীয় ও তৃতীয় কিস্তির টাকাও তাকে দেওয়া হয়নি। সর্বশেষ চতুর্থ কিস্তির অর্থ বরাদ্দ হওয়ার পরও একাধিকবার উপজেলা সমাজসেবা অফিসে যোগাযোগ করলেও বিভিন্ন অজুহাতে তার প্রাপ্য অর্থ পরিশোধ করা হয়নি।

এ ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ এবং তার বকেয়া ও প্রাপ্য শিক্ষাবৃত্তির সম্পূর্ণ অর্থ দ্রুত পরিশোধের দাবিতে তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত আবেদন করেছেন।

ভুক্তভোগী তাপস সরকারের বাড়ি উপজেলার কুর্শা ইউনিয়নের রহিমাপুর গ্রামে। তিনি বলেন, “আমি অনেক কষ্ট করে পড়াশোনা করছি। আমার বাবা ভ্যান চালিয়ে পরিবারের ব্যয় বহন করেন। আমার প্রাপ্য অর্থ যারা আত্মসাৎ করেছে, তাদের বিচার চাই।”

অভিযোগের বিষয়ে উপজেলা সমাজসেবা অফিসের ফিল্ড সুপারভাইজার মো. আব্দুল্লাহ-আল-মামুন বলেন, “তাপস সরকারের টাকার বিষয়ে আমি কিছু জানি না। এ বিষয়ে সবকিছু আমার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানেন।”

উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা শাহ মো. মাহমুদুল হক বলেন, “যার টাকা, তার মোবাইল নম্বরেই টাকা পাঠানো হয়েছে। যদি তিনি টাকা গ্রহণ না করে থাকেন, তাহলে সেই অর্থ সরকারের কাছে ফেরত যাবে।”

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোনাব্বর হোসেন বলেন, “বিষয়টি সমাজসেবা কর্মকর্তা ভালো বলতে পারবেন।”

মন্তব্য লিখুন

সাম্প্রতিক মন্তব্য

কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

সম্পাদকের কলাম

সাইদুর রহমান
সাইদুর রহমান
সাইদুর রহমান
সাইদুর রহমান

মতামত ও কলাম

ড. মাহফুজ পারভেজ
অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী
মামুন রশীদ
মো. নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া
ডঃ সাদিক আহমেদ বিপুল
image