আজঃ শনিবার, ০৮ আগস্ট, ২০২৬ -এ ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ - ২৩ সফর ১৪৪৮
  • আজ রংপুরের আবহাওয়া
• বিরামপুরে গ্রেপ্তার পঞ্চগড় পৌর আওয়ামী লীগ সভাপতি তারেক, জেলহাজতে প্রেরণ • হীরক জয়ন্তী উপলক্ষে দিনাজপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের পুনর্মিলনী নিবন্ধন শুরু • হিলিতে কাঁচা মরিচের দাম ৪০০ থেকে নেমে ১২০ টাকা • নদী থেকে ২২ ঘণ্টা পর উদ্ধার হলো ইউনুসের মরদেহ • ঠাকুরগাঁওয়ে স্কুল সেনসিটাইজেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত • বিরামপুরে গ্রেপ্তার পঞ্চগড় পৌর আওয়ামী লীগ সভাপতি তারেক, জেলহাজতে প্রেরণ • হীরক জয়ন্তী উপলক্ষে দিনাজপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের পুনর্মিলনী নিবন্ধন শুরু • হিলিতে কাঁচা মরিচের দাম ৪০০ থেকে নেমে ১২০ টাকা • নদী থেকে ২২ ঘণ্টা পর উদ্ধার হলো ইউনুসের মরদেহ • ঠাকুরগাঁওয়ে স্কুল সেনসিটাইজেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করার দাবি কাউনিয়ায় বোরোর বাম্পার ফলন, তবুও দামে হতাশ চাষিরা

Nuclear Fusion Closer to Becoming a Reality6

মোঃ জহির রায়হান

মোঃ জহির রায়হান , কাউনিয়া , রংপুর প্রতিনিধিঃ

আপডেটঃ 25 এপ্রিল, 2026

 রংপুরের কাউনিয়া উপজেলায় চলতি মৌসুমে অনুকূল আবহাওয়া, সঠিক সময়ে সেচ ও কৃষি বিভাগের পরামর্শে ফলন ভালো হওয়ায় মাঠভর্তি সোনালি ধানে খুশি ছিলেন কৃষকরা। প্রায় ৭৫০০ হেক্টর জমিতে চাষ হওয়া ধানে ভরবে কৃষকের গোলা। অনুকূল আবহাওয়া ও কৃষি বিভাগের পরামর্শে উৎপাদন ভালো হওয়ায় শুরুতে খুশি ছিলেন চাষিরা। তবে বাজারে ধানের দাম কম থাকায় সেই আনন্দ এখন পরিণত হয়েছে হতাশায়।
সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে কৃষকদেও সাথে কথা বলে জানাগেছে, ধানের ন্যায্য দাম তারা পাচ্ছে না। নিজপাড়া গ্রামের কৃষক প্রহলাদ চন্দ্র জানান, ইঁদুরের আক্রমণে অনেক ধান নষ্ট হয়েছে। এর পাশাপাশি প্রাকৃতিক দুর্যোগের প্রভাব তো আছেই। তিনি বলেন, সেচ, সার ও ওষুধের খরচ মিলিয়ে প্রতি মণ ধান উৎপাদনে প্রায় ১২০০ টাকা খরচ হয়েছে। কিন্তু বাজারে ধানের দাম মাত্র ৮৫০ টাকা। এভাবে কৃষক বাঁচবে কীভাবে? কৃষকের পাশে তো কেউ থাকে না। সরকারিভাবে ধান প্রতি কেজি ৩৬ টাকা এবং চাল ৪৯ টাকা দরে কেনার ঘোষণা থাকলেও কৃষকদের অভিযোগ, আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় তারা সেই দামে ধান বিক্রির সুযোগ পাবেন না। স্থানীয় বাজারে ধানের দাম আরও কম হওয়ায় উৎপাদন খরচ তুলতেই হিমশিম খেতে হচ্ছে অনেককে। কৃষকদের দাবি, সার, বীজ, সেচ ও শ্রমিকের খরচ বেড়ে যাওয়ায় তাদের ব্যয় অনেক বেশি। কিন্তু সেই তুলনায় ধানের দাম না বাড়ায় লোকসানের আশঙ্কা করছেন তারা। বিশেষ করে ছোট ও প্রান্তিক চাষিরা সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন। এদিকে কৃষকদের আরেকটি বড় অভিযোগ, এখনো এই উপজেলা কে সরকারি কৃষি কার্ডের আওতায় আনা হয়নি। ফলে তারা সরকারি কর্মসূচির সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এতে করে প্রান্তিক চাষিরা সরকারী সুযোগ সুবিধা থেকেও দূরে থাকতে হচ্ছে তাদের। কৃষি বিভাগ বলছে, উৎপাদন বেশি হওয়ায় বাজারে সরবরাহ বেড়েছে, যার প্রভাব পড়েছে দামের ওপর। তবে কৃষকদের অভিযোগ ও সমস্যাগুলো খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। বাম্পার ফলনের পরও ন্যায্যমূল্য না পাওয়া এবং কৃষি কার্ডের আওতায় না আসায় কাউনিয়ার চাষিদের মধ্যে এখন চরম হতাশা বিরাজ করছে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তানিয়া আকতার জানান, চলতি মৌসুমে আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় ধানের ভাল ফলন হয়েছে। ধানের দাম বৃদ্ধিতে তাদেও কোন হাত নেই। 

মন্তব্য লিখুন

সাম্প্রতিক মন্তব্য

কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

সম্পাদকের কলাম

সাইদুর রহমান
সাইদুর রহমান
সাইদুর রহমান
সাইদুর রহমান

মতামত ও কলাম

ড. মাহফুজ পারভেজ
অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী
মামুন রশীদ
মো. নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া
ডঃ সাদিক আহমেদ বিপুল
image