মূল কনটেন্টে যান
আজঃ রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ -এ ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ - ১৪ রবিউস সানি ১৪৪৮

তিস্তা পাড়ে ফের বন্যার আতঙ্ক: বিপৎসীমার খুব কাছাকাছি নদীর পানি

তিস্তা পাড়ে ফের বন্যার আতঙ্ক: বিপৎসীমার খুব কাছাকাছি নদীর পানি

মোঃ বাদশা প্রামানিক , 102 , নীলফামারী প্রতিনিধিঃ

প্রকাশিতঃ ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:০৩ দুপুর আপডেটঃ ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২৪ রাত

সংক্ষেপে

উজানের ঢল ও ভারী বৃষ্টিতে নীলফামারীর তিস্তায় পানি দ্রুত বাড়ছে; ২৪–৪৮ ঘণ্টায় বিপৎসীমা ছুঁয়ে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা।

  • উপজেলা: ডিমলা
  • জেলা: নীলফামারী
  • বিভাগ: রংপুর

উজানের পাহাড়ি ঢল এবং টানা ভারী বর্ষণে নীলফামারীর তিস্তা নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর ফলে নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলগুলোতে স্বল্পমেয়াদী বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে, যা তিস্তাপাড়ের মানুষের মনে নতুন করে ভীতি ও আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।

​বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, গত দুই দিনের অবিরাম বৃষ্টি এবং উজানের ঢলের কারণে আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে উত্তরাঞ্চলের তিস্তা অববাহিকায় পানি বিপৎসীমা ছুঁতে পারে। এতে নদীর অববাহিকার কিছু কিছু নিম্নাঞ্চল সাময়িকভাবে প্লাবিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বিজ্ঞাপন

​এর আগে শুক্রবার রাতে ডিমলা উপজেলার তিস্তা ব্যারাজের ডালিয়া পয়েন্টে নদীর পানি প্রবাহ রেকর্ড করা হয় ৫২.১১ মিটার—যা বিপৎসীমা ৫২.১৫ মিটারের মাত্র ৪ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। এছাড়া লালমনিরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সুনিল কুমার পানি বাড়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন যে, বর্তমান পরিস্থিতি অত্যন্ত নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

​প্রতিবছর সেপ্টেম্বর মাসের শেষের দিকে তিস্তায় এ ধরনের বন্যার ঝুঁকি তৈরি হওয়ায় নদীপাড়ের মানুষ চরম উৎকণ্ঠায় দিন কাটাচ্ছেন। গোবর্দ্ধন চরের এক স্থানীয় বাসিন্দা শঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, “এবার এখন পর্যন্ত বড় কোনো বন্যা হয়নি। তবে যেভাবে নদীর পানি বাড়ছে, তাতে বড় বন্যার আশঙ্কা করছি। বন্যা হলে নদীপাড়ের মানুষের দুর্ভোগের শেষ থাকে না।”

​এদিকে সম্ভাব্য এই পরিস্থিতি মোকাবেলায় স্থানীয় প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ড সম্পূর্ণ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

মন্তব্য লিখুন

সাম্প্রতিক মন্তব্য

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।