মূল কনটেন্টে যান
আজঃ বুধবার, ০৭ অক্টোবর, ২০২৬ -এ ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ - ২৪ রবিউস সানি ১৪৪৮

ডিমলায় পরিত্যক্ত স্থান থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার, এআই ভিডিও দিয়ে মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগ।

ডিমলায় পরিত্যক্ত স্থান থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার, এআই ভিডিও দিয়ে মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগ।

মাসুদ রানা বকুল , ডিমলা , নীলফামারী প্রতিনিধিঃ

প্রকাশিতঃ ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ২:১২ দুপুর আপডেটঃ ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:৪৭ রাত

সংক্ষেপে

এদিকে অভিযোগ উঠেছে, রাকিব জীবিত আছেন বোঝাতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভিডিও তৈরি করা হয়েছিল। সেই ভিডিও দেখিয়ে পরিবারের কাছ থেকে মুক্তিপণ নেওয়া হয়েছে কি না, সে বিষয়টিও তদন্ত করছে পুলিশ।

  • উপজেলা: ডিমলা
  • জেলা: নীলফামারী
  • বিভাগ: রংপুর

ঢাকায় মেডিকেল কোচিং পড়ুয়া রাকিব হোসেন (১৬) নামে এক কিশোরকে হত্যার পর তার মরদেহ নীলফামারীর ডিমলা উপজেলায় এনে মাটিচাপা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বালাপাড়া ইউনিয়ন জামাতের সেক্রেটারির আফসার আলী ছেলে  মামুন রহমান (২৩) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দুপুরে ঢাকা থেকে আসা একটি তদন্তকারী দল ডিমলা উপজেলার ছাতনাই ইউনিয়নের বালাপাড়া গ্রামে মামুনের দেখানো স্থান থেকে মাটিচাপা দেওয়া মরদেহ উদ্ধার করে।

বিজ্ঞাপন

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, প্রায় এক মাস আগে ঢাকায় রাকিব ও মামুনের পরিচয় হয়। কোনো একটি বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধের জেরে রাকিবকে হত্যা করা হয় বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। হত্যার পর মরদেহ গুম করার উদ্দেশ্যে মামুন তার গ্রামের বাড়ি ডিমলার বালাপাড়া গ্রামে নিয়ে এসে পরিত্যক্ত স্থানে মাটিচাপা দেন। পরে তিনি আবার ঢাকায় ফিরে যান।

অভিযোগ রয়েছে, মরদেহ মাটিচাপা দিয়েও রাকিব জীবিত আছেন এমন ধারণা দিয়ে তার পরিবারের কাছ থেকে মুক্তিপণ আদায় করেন মামুন।

এ ঘটনায় রাকিবের পরিবার থানায় অভিযোগ করলে পুলিশ তদন্তে নামে। পরে ঢাকার শুক্রাবাদ এলাকা থেকে মামুনকে গ্রেপ্তার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই ডিমলায় মরদেহের সন্ধান পাওয়া যায়।

এদিকে অভিযোগ উঠেছে, রাকিব জীবিত আছেন বোঝাতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভিডিও তৈরি করা হয়েছিল। সেই ভিডিও দেখিয়ে পরিবারের কাছ থেকে মুক্তিপণ নেওয়া হয়েছে কি না, সে বিষয়টিও তদন্ত করছে পুলিশ।

ডিমলা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আশরাফুল ইসলাম বলেন, "মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে। গ্রেপ্তার মামুনকে ঢাকার তদন্তকারী দলের কাছে হস্তান্তর করা হবে।"
 

মন্তব্য লিখুন

সাম্প্রতিক মন্তব্য

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।