আজঃ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ -এ ২২ মাঘ ১৪৩২ - ২৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪৭
  • আজ রংপুরের আবহাওয়া
• সমাজ বিনষ্টকারীদের প্রতিরোধে প্রশাসনের আগে নাগরিকদের এগিয়ে আসতে হবে : আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থার চেয়ারম্যান • নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে গাইবান্ধায় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ • কাউনিয়ায় পে-স্কেলের দাবীতে বিক্ষোভ কর্মসূচী • পঞ্চগড়ে বায়ু ও শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে যৌথ অভিযান : মোবাইল কোর্টে জরিমানা, হাইড্রোলিক হর্ণ জব্দ • আগামীর বাংলাদেশ হবে বিএনপি’র বাংলাদেশ, তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হয়ে ইতিহাস গড়বেন : নওশাদ জমির • সমাজ বিনষ্টকারীদের প্রতিরোধে প্রশাসনের আগে নাগরিকদের এগিয়ে আসতে হবে : আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থার চেয়ারম্যান • নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে গাইবান্ধায় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ • কাউনিয়ায় পে-স্কেলের দাবীতে বিক্ষোভ কর্মসূচী • পঞ্চগড়ে বায়ু ও শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে যৌথ অভিযান : মোবাইল কোর্টে জরিমানা, হাইড্রোলিক হর্ণ জব্দ • আগামীর বাংলাদেশ হবে বিএনপি’র বাংলাদেশ, তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হয়ে ইতিহাস গড়বেন : নওশাদ জমির

প্রযুক্তিগত শিক্ষা ও দক্ষতা বৃদ্ধিতে রংপুরে ইউসেপ বাংলাদেশের নব-প্রতিষ্ঠিত টেকনিক্যাল স্কুলের পাঠদান কার্যক্রমের উদ্বোধন।

Nuclear Fusion Closer to Becoming a Reality6

ডেস্ক রিপোর্ট

ডেস্ক রিপোর্ট , রংপুর সদর , রংপুর প্রতিনিধিঃ

আপডেটঃ 12 জানুয়ারী, 2026

সোমবার (১২ জানুয়ারি) রংপুর মহানগরীর তালুক ধর্মদাস ইউসেপ রংপুর আঞ্চলিক কার্যালয় প্রাঙ্গণে নব-প্রতিষ্ঠিত ইউসেপ রংপুর টেকনিক্যাল স্কুলের পাঠদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউসেপ বাংলাদেশ প্রধান কার্যালয়ের সিনিয়র স্পেশালিষ্ট-স্কিলস প্রমোশন বি এম মফিজুর রহমান। উদ্বোধন উপলক্ষে এক জঁমকালো আয়োজনে পবিত্র কোরআন হতে তেলাওয়াতের মাধ্যমে “ইউসেপ রংপুর টেকনিক্যাল স্কুল এর উদ্বোধনী কার্যক্রম শুরু হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আলোচনা সভায় ইউসেপ রংপুর অঞ্চলের আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক মো. রফিকুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন ইউসেপ রংপুর টেকনিক্যাল স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মিজ. কামরুন্নাহার বেগম।

 

আলোচনা সভায় স্কুলের শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকবৃন্দ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে কারিগরি শিক্ষা ও বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন হেড অব ইউসেপ রংপুর টিভিইটি ইন্সটিটিউট মোঃ মিজানুর রহমান, ইউসেপ রংপুর অঞ্চলের টিম লিডার সোশ্যাল ইনক্লুশন এন্ড এমপ্লয়মেন্ট মোঃ সোলাইমান। এছাড়াও অভিভাবকদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মোছা. কহিনুর বেগম ও মোঃ তাওহীদুল ইসলাম।

 

বিশেষ অতিথির বক্তেব্যে টিম লিডার সোশ্যাল ইনক্লুশন এন্ড এমপ্লয়মেন্ট মোঃ সোলাইমান বলেন, “এটি শুধু এই আশেপাশের এলাকার নয়, বরং পুরো উত্তরাঞ্চলের শিক্ষার মান উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের জন্য একটি মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে।” হেড অব ইউসেপ রংপুর টিভিইটি ইন্সটিটিউট মোঃ মিজানুর রহমান তাঁর বক্তব্যে বলেন, “আমরা বিশ্বাস করি, এই স্কুলের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা আধুনিক শিক্ষা ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা অর্জন করবে, যা তাদের কর্মজীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’’

 

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে ইউসেপ রংপুর অঞ্চলের আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক মোঃ রফিকুল ইসলাম বলেন, “আজকের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে আমাদের ৬ষ্ঠ-৯ম শ্রেণি পর্যন্ত (ভোকেশনাল) কার্যক্রম শুরু হলো। এটি শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয় বরং রংপুর অঞ্চলের শিক্ষার মান উন্নয়নের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।”

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ও ইউসেপ বাংলাদেশ প্রধান কার্যালয়ের সিনিয়র স্পেশালিষ্ট-স্কিলস প্রমোশন বি এম মফিজুর রহমান বলেন, ইউসেপ রংপুর টেকনিক্যাল স্কুল প্রতিষ্ঠা হওয়ার মাধ্যমে রংপুর অঞ্চলের শিক্ষার্থীরা উন্নতমানের কারিগরি শিক্ষা ও প্রযুক্তিগত শিক্ষা পাবে, যা তাদের শিক্ষার ভিত্তি ও কর্মজীবনে সফল হতে সহায়ক হবে। ইউসেপ বাংলাদেশের লক্ষ্য হল, দেশের যুব সমাজকে  শিক্ষিত, দক্ষ এবং কর্মক্ষম করে তোলা, যাতে তারা দেশের উন্নয়নে অবদান রাখতে পারে।”

 

ইউসেপ রংপুর টেকনিক্যাল স্কুলের উদ্বোধন রংপুর অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের জন্য একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। এখানে অর্জিত শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে এবং এটি নিশ্চিতভাবেই শিক্ষিত ও দক্ষ নাগরিক তৈরির মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করেন অতিথি ও সুধিজনেরা। উল্লেখ্য, ইউসেপ রংপুর অঞ্চলে আরও ২টি টেকনিক্যাল স্কুল, ১টি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি (পলিটেকনিক) ও ১টি টিভিইটি ইন্সটিটিউটের মাধ্যমে হাজার-হাজার শিক্ষার্থী ও প্রশিক্ষণার্থীদের কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত ও বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ করে গড়ে তোলা ও কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা হচ্ছে। 

মন্তব্য লিখুন

সাম্প্রতিক মন্তব্য

কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

সম্পাদকের কলাম

আমাদের ৯০-এর শৈশব: যে সময় আর ফিরে আসবে না
এ যেন নদী নয়, অনিশ্চয়তার আর্তনাদ।
মানুষ অভাগা জন্মায় না; তাকে অভাগা বানিয়ে রাখার জন্য সমাজ, রাষ্ট্র ও বাস্তবতার সমন্বিত অনীহাই যথেষ্ট।
আমরা এই মহামূল্যবান পৃথিবীর যোগ্য সন্তান হতে চেয়েছি।