ভুরুঙ্গামারীতে পুলিশের অভিযানে অর্ধশতাধিক গাঁজাগাছ উদ্ধার
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় গ্রীনহাউজ পদ্ধতিতে গাঁজা চাষের একটি চাঞ্চল্যকর ঘটনা উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ। অভিযানে একটি সুপারি বাগান থেকে প্রায় অর্ধশতাধিক ছোট-বড় গাঁজা গাছ এবং গাছ পরিচর্যার জন্য নির্মিত বিশেষ তাপ ও বৃষ্টি-প্রতিরোধী বেষ্টনী জব্দ করা হয়েছে। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অভিযুক্ত পিতা-পুত্র সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে পালিয়ে গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
বুধবার (৯ জুলাই) দুপুর ২টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভূরুঙ্গামারী উপজেলার পাথরডুবি ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী দক্ষিণ বাঁশজানি গ্রামে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। ভূরুঙ্গামারী পুলিশ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুনের উপস্থিতিতে ভূরুঙ্গামারী থানার একটি দল অভিযান চালিয়ে সুপারি বাগানের ভেতরে তাপ-প্রতিরোধী তারজালি দিয়ে ঘেরা বিশেষ বেষ্টনীর মধ্যে যত্নসহকারে চাষ করা গাঁজা গাছগুলো উদ্ধার করে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গাঁজা চাষের সঙ্গে জড়িত হিসেবে দক্ষিণ বাঁশজানি গ্রামের বাসিন্দা মো. জামাল উদ্দিন (৫০) ও তাঁর ছেলে মো. রুবেল হোসেনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। অভিযানের সময় তারা সীমান্তের কাঁটাতারের নিচের ড্রেনেজ লাইন দিয়ে ভারতে পালিয়ে যায়।
পুলিশ উদ্ধার করা গাঁজা গাছের পাশাপাশি গাছ পরিচর্যার জন্য ব্যবহৃত বিশেষ বেষ্টনীও জব্দ করে থানায় নিয়ে যায়। এ ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
ভূরুঙ্গামারী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন বলেন, “সীমান্তবর্তী এলাকার মাদক কারবারিরা ভারতীয় গাঁজার বিকল্প বাজার তৈরির উদ্দেশ্যে নিজেরাই গাঁজা চাষের চেষ্টা করছে। তাদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে।”
পুলিশ জানিয়েছে, সীমান্ত এলাকায় মাদক চাষ, পাচার ও কারবার দমনে তাদের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
সাম্প্রতিক মন্তব্য
কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
মন্তব্য লিখুন