গাইবান্ধায় নদীভাঙন এলাকা পরিদর্শন করলেন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ
গাইবান্ধার ৩ উপজেলার বন্যাকবলিত বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ। আজ শনিবার দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত নৌপথে সরেজমিনে সদরের চিথুলিয়া-দিগড়, ফুলছড়ির জিগাবাড়ী ও উড়িয়া এবং সুন্দরগঞ্জের শ্রীপুর ও লাল-চামার এলাকার বন্যা ও নদীভাঙনের বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন তিনি।
এরপর ফুলছড়িতে নদীভাঙন এলাকা পরিদর্শনকালে দক্ষিণ কাবিলপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে পথসভায় স্থানীয়দের উদ্দেশে তিনি বক্তব্য রাখেন।
বক্তব্যে তিনি অতীতের ফ্যাসিস্ট সরকারকে দায়ী করে বলেন, ফ্যাসিস্ট সরকার এ এলাকায় নদীভাঙন রোধে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেয়নি। নদীভাঙন রোধের নামে শুধু লুটপাট চালিয়েছে। ফলে এ অঞ্চলের মানুষের বাড়িঘর, ফসলি জমি ও বিভিন্ন স্থাপনা হুমকির মুখে পড়েছে।
তিনি বলেন, নদীভাঙন যেখানেই হবে, সেখানেই জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ দেওয়া হবে। গাইবান্ধার বন্যাকবলিত এলাকাগুলোতে একটিতে এক হাজার কোটি ও অপর আরেকটিতে আটশো কোটি টাকার প্রকল্প বাস্তবায়ন করলে এই জেলায় নদীভাঙন থাকবে না। তিনি আরও বলেন, আগামী চার বছরের মধ্যে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় ৯৬টি প্রকল্প হাতে নিয়েছে। এর মধ্যে গাইবান্ধায় দুটি বৃহৎ প্রকল্প রয়েছে, যা অতিদ্রুত টেন্ডারের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হবে।
এ ছাড়া জরুরি ভিত্তিতে আটান্নটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে তাৎক্ষণিকভাবে জিও ব্যাগ দিয়ে ভাঙন রোধ করার জন্য। সেই সঙ্গে আগামী দু-এক দিনের মধ্যে জিও ব্যাগ দিয়ে আপৎকালীন নদীভাঙন রোধ করার জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন প্রতিমন্ত্রী। পাশাপাশি সরকারের নানা উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ফুলছড়ি-সাঘাটা-৫ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল ওয়ারেছ, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিদ্রোহ কুমার কুন্ড, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল নবী টিটুল। এ ছাড়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা ও স্থানীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
সাম্প্রতিক মন্তব্য
কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
মন্তব্য লিখুন