মূল কনটেন্টে যান
আজঃ শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ -এ ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ - ২৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

ফুলছড়িতে কিশোরীদের ঋতুকালীন স্বাস্থ্য উপকরণ ও নিরাপদ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতকরণে গণজমায়েত

ফুলছড়িতে কিশোরীদের ঋতুকালীন স্বাস্থ্য উপকরণ ও নিরাপদ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতকরণে গণজমায়েত

মোস্তাফিজুর রহমান

মোস্তাফিজুর রহমান , সাঘাটা , গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ

প্রকাশিতঃ ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:০১ রাত আপডেটঃ ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২১ দুপুর
  • উপজেলা: ফুলছড়ি
  • জেলা: গাইবান্ধা
  • বিভাগ: রংপুর

গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলায় স্কুল পর্যায়ে কিশোরীদের ঋতুকালীন স্বাস্থ্য উপকরণ সরবরাহ ও নিরাপদ স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতকরণে এক গণজমায়েত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) উপজেলার ফুলছড়ি ইউনিয়নের টেংরাকান্দি এম.এ. সবুর দাখিল মাদ্রাসা মাঠ প্রাঙ্গণে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এসকেএস ফাউন্ডেশনের কমিউনিটিভিত্তিক জলবায়ু সহনশীলতা ও নারীর ক্ষমতায়ন (সিআরইএ) প্রকল্পের বাস্তবায়নে এবং মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের সহায়তায় গণজমায়েতটি অনুষ্ঠিত হয়।

বিজ্ঞাপন

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন মাদ্রাসার সুপারিনটেনডেন্ট মুহাম্মদ আব্দুছ ছালাম আহমেদ, প্রজেক্ট অফিসার সুলতানা বাহার এবং একাউন্টস এ্যান্ড অ্যাডমিন অফিসার সাবিনা ইয়াসমিন।

মাদ্রাসা শিক্ষার্থী আশা মনি বলেন, “আমাদের মাদ্রাসায় ঋতুকালীন স্বাস্থ্য উপকরণ না থাকায় গড়ে মাসের তিন-চার দিন স্কুলে অনুপস্থিত থাকতে হয়। চরাঞ্চলের অনেক পরিবার মেয়েদের প্রয়োজনীয় উপকরণ সরবরাহ করতে পারে না। সরকার বা প্রশাসন যদি বিনামূল্যে উপকরণ সরবরাহ ও নির্দিষ্ট স্থান নিশ্চিত করে, তাহলে শিক্ষার মান উন্নত হবে এবং আমরা স্বাস্থ্যঝুঁকি থেকে রক্ষা পাবো।”

মাদ্রাসা সুপারিনটেনডেন্ট মুহাম্মদ আব্দুছ ছালাম আহমেদ বলেন,কিশোরীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ঋতুকালীন স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সচেতনতার অভাব ও দারিদ্র্যের কারণে অনেক শিক্ষার্থী প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য উপকরণ ব্যবহার করতে পারে না। এর ফলে শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হয় এবং বিদ্যালয়ে উপস্থিতিতেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে কিছু উপকরণ পাওয়া গেলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। সরকারিভাবে বরাদ্দ দেওয়া হলে শিক্ষার্থীরা বেশি উপকৃত হবে।”

প্রজেক্ট কর্মকর্তা সুলতানা অফিসার বলেন, “ঋতুকালীন স্বাস্থ্য বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সহজলভ্য স্বাস্থ্য উপকরণ নিশ্চিত করা গেলে কিশোরীরা স্বাচ্ছন্দ্যে শিক্ষা কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবে। শিক্ষার্থীদের ভাষ্যমতে মাসে তিন থেকে চার দিন অনুপস্থিত থাকলে বছরে প্রায় ৩৬ /৪৮ দিন ক্লাস মিস হয়। ফলে তারা শিক্ষা কার্যক্রমে পিছিয়ে পড়ে এবং অনেক ক্ষেত্রে ঝরে পড়ার ঝুঁকিতে থাকে। শিক্ষা থেকে ঝরে পড়া বাল্যবিবাহসহ নানা সামাজিক সমস্যার জন্ম দেয়।”

গণজমায়েতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য লিখুন

সাম্প্রতিক মন্তব্য

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

মতামত ও কলাম