রাজারহাট রেলস্টেশন ভবনের আশপাশে ময়লার ভাগাড়
রেলস্টেশন ভবনের আশপাশে ময়লার ভাগাড় ও বাজারের নির্গত নোংরা পানির দুর্গন্ধে অস্বস্তিকর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে। এতে ভোগান্তি শিকার যাত্রী,পথচারী ও স্থানীয় বসবাসকারীরা। পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে যাত্রী বিশ্রামাগার ও শৌচাগার।
সরেজমিনে দেখা গেছে, রাজারহাট স্টেশন ভবনের দুপাশে নোংরা পানির সঙ্গে কচু - কচুরিপানা ও ময়লার ভাগাড়।ভবনের বিভিন্ন জায়গায় ফাটল ও ঢালাই ওঠে গেছে।ট্রেনের উঠানামা জন্য যাত্রী সুবিধার জন্য নেই প্লাটফর্ম। লালমনিরহাটগামী যাত্রী রিফাত হোসেন বলেন ভবনের আশপাশে ময়লা পানি ও আবর্জনা স্তুপের দুর্গন্ধ থাকা যায়না। প্রেসক্লাব রাজারহাটের সাংগঠনিক সম্পাদক ও স্থানীয় বাসিন্দা আসাদুর রহমান শিমু বলেন ভবনের আশপাশ ভরাট নাথাকায় কচুবাগান ও বাজারের সবধরনের ময়লা আবর্জনা সন্ধ্যার পর থেকে ফেলা হয়।নেই যাত্রীদের জন্য শৌচাগার ব্যবস্থা নাথাকায় আশপাশের বাড়ীতে গিয়ে ভোগান্তির শিকার হয় এতে করে অপরিচিত মানুষের আকস্মিকভাবে বিভ্রান্ত হয়। রাজারহাট রেলওয়ে স্টেশনে প্রবেশ পথে পান বিক্রেতা হাফিজুর রহমান জানান শুনেছি ভবন মেরামত কাজের বরাদ্দ এসেছে অথচ কাজ শুরু হইনি। রাজারহাট রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার সুমন বলেন এ কচুগুলো খাবার হিসেবে ব্যবহার হয়না,এর আগে একজনকে দিয়ে গতবছরে কচুগুলো কেটে অপসারণ করেছিলাম। ময়লা আবর্জনার দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ আমিও,আমরা চেষ্টা করি পরিচ্ছন্ন রাখতে,স্থানীয় লোকজন ও ব্যবসায়ীরা সচেতন না।রাতের আঁধারে নোংরা আবর্জনা ফেলে এখানে তারই দুর্গন্ধে থাকা যায়না।এছাড়াও মসজিদের ওজু খানার পানি,মাছ বাজারের পানি এসে জমাহয়। স্টেশন ভবনের আশপাশে নিচু জায়গায় মাটি ভরাট ও স্টেশন ভবন মেরামত বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন মেরামত বরাদ্দ হয়েছে, আগে দরজা জানালার কাজ শুরু করবে।তারপর ভবন মেরামত কাজ শুরু হবে। প্লাটফর্ম করে দিবেন সেটি স্যার বলে গেছেন,হয়ত মেরামত কাজ শেষ হলে প্লাটফর্মের কাজ শুরু করবেন।
সাম্প্রতিক মন্তব্য
কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
মন্তব্য লিখুন