আজঃ বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ -এ ২২ মাঘ ১৪৩২ - ২৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪৭
  • আজ রংপুরের আবহাওয়া
• সমাজ বিনষ্টকারীদের প্রতিরোধে প্রশাসনের আগে নাগরিকদের এগিয়ে আসতে হবে : আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থার চেয়ারম্যান • নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে গাইবান্ধায় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ • কাউনিয়ায় পে-স্কেলের দাবীতে বিক্ষোভ কর্মসূচী • পঞ্চগড়ে বায়ু ও শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে যৌথ অভিযান : মোবাইল কোর্টে জরিমানা, হাইড্রোলিক হর্ণ জব্দ • আগামীর বাংলাদেশ হবে বিএনপি’র বাংলাদেশ, তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হয়ে ইতিহাস গড়বেন : নওশাদ জমির • সমাজ বিনষ্টকারীদের প্রতিরোধে প্রশাসনের আগে নাগরিকদের এগিয়ে আসতে হবে : আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থার চেয়ারম্যান • নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে গাইবান্ধায় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ • কাউনিয়ায় পে-স্কেলের দাবীতে বিক্ষোভ কর্মসূচী • পঞ্চগড়ে বায়ু ও শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে যৌথ অভিযান : মোবাইল কোর্টে জরিমানা, হাইড্রোলিক হর্ণ জব্দ • আগামীর বাংলাদেশ হবে বিএনপি’র বাংলাদেশ, তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হয়ে ইতিহাস গড়বেন : নওশাদ জমির

নাগেশ্বরীতে ৩৯ বছরেও হয়নি সেতুর সংস্কার, চরম দুর্ভোগ ও আতঙ্কের নাম জামতলা-কচুয়ারপড় সংযোগ সেতু

Nuclear Fusion Closer to Becoming a Reality6

মোঃ বুলবুল ইসলাম

মোঃ বুলবুল ইসলাম , কুড়িগ্রাম সদর , কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ

আপডেটঃ 22 জানুয়ারী, 2026

নাগেশ্বরী উপজেলার ভিতরবন্দ ইউনিয়নের জামতলা থেকে কচুয়ারপাড় মাধাইখেল সংযোগকারী সেতুটি দীর্ঘ ৩৯ বছর ধরে বেহাল অবস্থায় পড়ে আছে। দুই প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম এই সেতুটি বর্তমানে এলাকাবাসীর জন্য এক চরম দুর্ভোগ ও আতঙ্কের নাম হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে বর্ষা ও বন্যার সময় সেতুটি এক ভয়ংকর রূপ ধারণ করে, যা সাধারণ মানুষের চলাচলকে প্রায় অসম্ভব করে তোলে।

প্রথম অবস্থায় সরকারি কোনো পদক্ষেপ না পেয়ে এলাকাবাসীর ভোগান্তি লাঘবে এগিয়ে এসেছিলেন তৎকালীন ওয়ার্ড মেম্বার মো. আবুল হোসেন ব্যাপারী । তিনি সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে কাঠের পাটাতন দিয়ে সেতুটি কোনোমতে চলাচলের উপযোগী করে দেন। দীর্ঘ সময় ধরে দুই এলাকার মানুষ এই কাঠের সেতুর ওপর দিয়েই ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে। তবে সংস্কারের অভাবে বর্তমানে সেই কাঠের কাঠামোটিও ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়েছে, যা যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে।

এ বিষয়ে উপজেলার সাবেক মেম্বার মো. আবুল হোসেন ব্যাপারী বলেন, সেতুটি সরকারিভাবে পাসের প্রক্রিয়া প্রায়ই সম্পন্ন হয়েছিল। কিন্তু দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ও সরকার পতনের কারণে কাজটির সূচনা হয়নি। ।”

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বছরের পর বছর পার হয়ে গেলেও এই জনগুরুত্বপূর্ণ সেতুটির স্থায়ী সমাধানে সরকারি কোনো কার্যকরী পদক্ষেপ দৃশ্যমান হয়নি। তারা আক্ষেপ করে বলেন, “আমরা জানি না আদৌ কোনোদিন এখানে নতুন সেতু হবে কি না, নাকি আমাদের আজীবন এই মরণফাঁদ দিয়েই যাতায়াত করতে হবে।”

জামতলা ও কচুয়ারপাড় এলাকার কয়েক হাজার মানুষের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ড সচল রাখতে এই সেতুটি পুনর্নির্মাণ করা জরুরি। স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, জনপ্রতিনিধিদের শুধু প্রতিশ্রুতির মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে দ্রুত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে সেতুটির নির্মাণ কাজ দ্রুত শুরু করা প্রয়োজন।

মন্তব্য লিখুন

সাম্প্রতিক মন্তব্য

কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

সম্পাদকের কলাম

আমাদের ৯০-এর শৈশব: যে সময় আর ফিরে আসবে না
এ যেন নদী নয়, অনিশ্চয়তার আর্তনাদ।
মানুষ অভাগা জন্মায় না; তাকে অভাগা বানিয়ে রাখার জন্য সমাজ, রাষ্ট্র ও বাস্তবতার সমন্বিত অনীহাই যথেষ্ট।
আমরা এই মহামূল্যবান পৃথিবীর যোগ্য সন্তান হতে চেয়েছি।