মূল কনটেন্টে যান
আজঃ শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ -এ ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ - ২৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

দিনাজপুরে পরকিয়ার জেরে হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের উপযুক্ত বিচারের দাবি

দিনাজপুরে পরকিয়ার জেরে হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের উপযুক্ত বিচারের দাবি

মো. তোফাজ্জল হোসেন

মো. তোফাজ্জল হোসেন , বীরগঞ্জ , দিনাজপুর প্রতিনিধিঃ

প্রকাশিতঃ ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:০১ দুপুর আপডেটঃ ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২৩ দুপুর
  • উপজেলা: বীরগঞ্জ
  • জেলা: দিনাজপুর
  • বিভাগ: রংপুর

দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলার পাল্টাপুর কুরিটাকিয়া বাজারের বাসিন্দা মৃত এছাম উদ্দিনের ছেলে নুরল ইসলাম (৪৭) ও কাহারোল থানার এফআইআর নং- ৩, জি আর নং-১০২ এর বাদী গত ৯ এপ্রিল ২০২৬ ইং বৃহস্পতিবার দুপুরে এক সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে স্থানীয় সাংবাদিকদের জানান, কাহারোল উপজেলার সুন্দরপুর ইউপির কমলপুর গ্রামে বসবাসকারী তারই সহোধর ছোট ভাই মৃত মহসিন(২৩) এর স্ত্রী পাল্টাপুর গ্রামের মনসুর আলির মেয়ে মল্লিকা খাতুন(২২) ও মরহুম ভাইয়ের বন্ধু পাল্টাপুর গ্রামের নজিমুল ইসলাম ভূট্টর ছেলে মমিনুল(২২) এর গোপন প্রনয়ের ঘটনার জের ধরে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মামলা দায়ের করেছেন প্রায় সাড়ে ৩ বছর আগে৷ ইতিপূর্বে আসামিদ্বয় গ্রেফতার হলে জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেটের সামনে উল্লেখিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনার সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করলেও বিভিন্ন কৌশল ও মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে চলমান আইন-আদালতের ফাকফোকর দিয়ে বেড়িয়ে এলাকায় এসে বীরদর্পে চলাফেরা করছে এবং বিভিন্ন মাধ্যমে আপোষ কিংবা মামলা তুলে নিতে হুমকি-ধামকি দিচ্ছে ৷

মৃত মহসিনের বৃদ্ধা মা মেরিনা (৬২) জানান, মল্লিকা ও মমিনের গোপন সম্পর্কের বিষয়টি নিজ চোখে দেখার পর জানাজানি হলে সেসময় পরিবারের সদস্যরা সবাই মিলে বসে বিষয়টি বিচার মীমাংসা করা হয়৷ এর কিছুদিন পর ৭/১২/২০২২ইং গভীর রাতে জরিত আসামিরা তার ছেলেকে পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করে দুরের একটি বাঁশবাগানে ফেলে রাখে৷ পরবর্তীতে লাশ উদ্ধার হলে পুলিশের হাতে ধরা পরে আসামীরা ৬ মাস জেলহাজত খাটে এবং জামিনে মুক্তি পেয়ে এলাকায় এসে আবারোও অবাধে বেপরোয়া চলাফেরা ও বেহায়াপনা করে বেড়ায়৷ কুড়িটাকিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ক্লাস থ্রীর ছাত্র ও মরহুমের শিশু পুত্র মাশরাফি মাহিম তার পিতার হত্যা কারিদের কঠোর শাস্তির দাবী জানানোর পাশাপাশি উক্ত মামলার সাক্ষী গন সহ নাম গোপন রাখার শর্তে একই এলাকায় বসবাসকারী সাধারণ মানুষদের মধ্যে অনেকেই ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে আসামীদ্বয়ের একত্রে বসবাস ও কুকীর্তির কথা স্বীকার করে এবং হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িতদের উপযুক্ত শাস্তির দাবি জানান৷ নুরল ইসলাম ও ভুক্তভোগী পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা আরো জানান, অসচ্ছল হওয়ার কারনে দীর্ঘদিন প্রায় সাড়ে ৩ বছর ধরে মামলার পিছনে ব্যয়ভার চালানো তাদের পক্ষে অসাধ্য হয়ে উঠায় বিষয়টি বিবেচনাকরত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন ও ন্যায্য বিচার প্রার্থনায় মহামান্য আদালতের কাছে আকুল আবেদন জানিয়েছেন ৷

বিজ্ঞাপন

মন্তব্য লিখুন

সাম্প্রতিক মন্তব্য

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

মতামত ও কলাম