আজঃ সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬ -এ ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ - ১ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৭
  • আজ রংপুরের আবহাওয়া
• বামনডাঙ্গায় দুস্থ ও অসহায় মানুষের মাঝে ভিজিএফ এর চাল সুষ্ঠু ভাবে বিতরণ সম্পন্ন • ক্ষোভে ৪ জনের মাথা ফাটালেন বাবা • ভুরুঙ্গামারীতে সরকারী খাদ্য গুদামে অভ্যন্তরীণ বোরো ধান-চাল সংগ্রহের শুভ উদ্বোধন • হাইব্রিড বীজের ভরসায় ৪০ লাখ টাকা বিনিয়োগ, পথে বসার শঙ্কায় পঞ্চগড়ের কৃষি উদ্যোক্তা সাজ্জাদ • নিজের মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে বাবা গ্রেপ্তার • বামনডাঙ্গায় দুস্থ ও অসহায় মানুষের মাঝে ভিজিএফ এর চাল সুষ্ঠু ভাবে বিতরণ সম্পন্ন • ক্ষোভে ৪ জনের মাথা ফাটালেন বাবা • ভুরুঙ্গামারীতে সরকারী খাদ্য গুদামে অভ্যন্তরীণ বোরো ধান-চাল সংগ্রহের শুভ উদ্বোধন • হাইব্রিড বীজের ভরসায় ৪০ লাখ টাকা বিনিয়োগ, পথে বসার শঙ্কায় পঞ্চগড়ের কৃষি উদ্যোক্তা সাজ্জাদ • নিজের মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে বাবা গ্রেপ্তার

হাইব্রিড বীজের ভরসায় ৪০ লাখ টাকা বিনিয়োগ, পথে বসার শঙ্কায় পঞ্চগড়ের কৃষি উদ্যোক্তা সাজ্জাদ

Nuclear Fusion Closer to Becoming a Reality6

ইকবাল বাহার

ইকবাল বাহার , পঞ্চগড় সদর , পঞ্চগড় প্রতিনিধিঃ

আপডেটঃ 17 মে, 2026

চারদিকে সবুজ লতাপাতা আর ফুলে ভরা ক্ষেত। দূর থেকে দেখলে মনে হবে বাম্পার ফলনের অপেক্ষায় আছে বিশাল এক মিষ্টি কুমড়ার খামার। কিন্তু কাছে গেলেই মিলবে হতাশার ছবি ৬০ একর জমির কোথাও নেই একটি কুমড়াও।

পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার লাঙ্গল গ্রামের কৃষি উদ্যোক্তা মো. সাজ্জাদ হোসেন হাইব্রিড ‘ব্যাংকক সুইট-২’ জাতের মিষ্টি কুমড়া চাষ করে এখন কোটি টাকার ক্ষতির মুখে। ব্যাংক ঋণ, দোকানের বাকী এবং ধারদেনা করে প্রায় ৪০ লাখ টাকা বিনিয়োগ করেও ফল না আসায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন তিনি।

জানা গেছে, আলু চাষে লোকসানের পর নতুন আশায় বোদা উপজেলার ময়দানদিঘী ইউনিয়নের সর্দারপাড়া এবং পঞ্চগড় সদর উপজেলার মাগুড়া ইউনিয়নের নলেহা এলাকায় ৬০ একর জমি চুক্তি নিয়ে মিষ্টি কুমড়া চাষ শুরু করেন সাজ্জাদ। স্থানীয় সার-বীজ ব্যবসায়ী মো. আরিফুল রহমান রাসেলের মাধ্যমে আলমগীর সীড কোম্পানির ‘ব্যাংকক সুইট-২’ জাতের বীজ সংগ্রহ করেন তিনি। কোম্পানির পক্ষ থেকে প্রতি একরে ১৯ থেকে ২০ মেট্রিক টন ফলনের আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ করেন তিনি।

সাজ্জাদের দাবি, কোম্পানির নির্দেশনা অনুযায়ী নিয়মিত সেচ, সার ও কীটনাশক প্রয়োগে গাছের বৃদ্ধি খুব ভালো হলেও তিন মাস পেরিয়ে গেলেও একটি ফলও আসেনি। অথচ বর্তমান বাজারমূল্যে এসব জমি থেকে প্রায় দেড় কোটি টাকার মিষ্টি কুমড়া বিক্রির স্বপ্ন দেখছিলেন তিনি।

জমির মালিক কাব্য ভূষণ বর্মন বলেন, গাছ দেখে মনে হয়েছিল অনেক ফল হবে। কিন্তু এখন পুরো জমিতে একটাও কুমড়া নেই। পাশের জমিতে অন্যদের কুমড়া ভালো হয়েছে। এটা বীজের সমস্যাই মনে হচ্ছে।

বীজ সরবরাহকারী ব্যবসায়ী আরিফুল রহমান রাসেলও ক্ষতির বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, কোম্পানির আশ্বাসেই বীজ দিয়েছিলাম। কিন্তু ফল না হওয়ায় কৃষক বড় ক্ষতির মুখে পড়েছেন। ক্ষতিপূরণ দিতে কোম্পানিকে বলেছি, কিন্তু তারা এখন টালবাহানা করছে।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে কৃষি উদ্যোক্তা সাজ্জাদ হোসেন বলেন, আমি এখন পথে বসেছি। ধারদেনা করে সব টাকা জমিতে খরচ করেছি। শ্রমিকের মজুরি, জমির মালিকের টাকা সব বাকি। কোম্পানি ক্ষতিপূরণ না দিলে আমার বাঁচার উপায় নেই।

এদিকে জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত এই কৃষি উদ্যোক্তা। অভিযোগের সত্যতা পেয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও। জেলা বীজ প্রত্যয়ন কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. শামীম বলেন, সরেজমিন তদন্তে গিয়ে ক্ষতির বিষয়টি সত্য পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মন্তব্য লিখুন

সাম্প্রতিক মন্তব্য

কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

সম্পাদকের কলাম

সাইদুর রহমান
সাইদুর রহমান
সাইদুর রহমান
সাইদুর রহমান

মতামত ও কলাম

ড. মাহফুজ পারভেজ
অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী
মামুন রশীদ
মো. নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া
ডঃ সাদিক আহমেদ বিপুল
image