মাটির টানে সুরের আসর : বর্ণাঢ্য আয়োজনে গাইবান্ধায় লোকসঙ্গীত অঙ্গনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী
গ্রামীণ সংস্কৃতির লালন ও শেকড়ের সন্ধানে নিবেদিত সংগঠন 'লোকসঙ্গীত অঙ্গন'-এর ৬ষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে গাইবান্ধায় এক বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও লোকসংগীতের আসর অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার সন্ধ্যায় শহরের স্থানীয় পাবলিক লাইব্রেরী মিলনায়তনে গাইবান্ধা লোকসঙ্গীত অঙ্গন ও সংগঠনের শিল্পীদের সহযোগিতায় এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লা। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত এই আসরে গ্রামীণ লোকজ গান, পালাগান ও বাউল গানের সুরমূর্ছনায় মুগ্ধ হন দর্শক-শ্রোতারা।
প্রধান অতিথি বলেন, লোকসংগীত আমাদের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। আধুনিকতার ভিড়ে হারিয়ে যাওয়া লোকজ সংস্কৃতিকে তরুণ প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে লোকসঙ্গীত অঙ্গন দীর্ঘদিন ধরে প্রশংসনীয় কাজ করে যাচ্ছে।
লোকসঙ্গীত অঙ্গনের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মো. জিয়াউর রহমান জিয়ার সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন জেলা কালচারাল অফিসার মো. আসাদুজ্জামান সরকার আসাদ, গণউন্নয়ন রেসিডেন্সিয়াল স্কুল ও কলেজের অধ্যক্ষ জহুরুল কাইয়ুম, জাসাস জেলা শাখার আহবায়ক বজলুল করিম রপু, সদস্য সচিব খান মো. কাওসার ওয়াহিদ সুজন, জেলা বাস-মিনি বাস-কোচ ও মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. আশরাফুল আলম বাদশা, কবি কাসেম ইয়াসবির, কবি হিলালী বাবু, বন্ধু সংস্থার সাধারণ সম্পাদক বিশিষ্ট সংগীত শিল্পী এসএম আমজাদ হোসেন দীপ্তি, বাংলাদেশ মানবাধিকার নাট্য পরিষদের জেলা সাধারণ সম্পাদক অঞ্জলী রাণী দেবী প্রমুখ।
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করেন জেলার প্রতিভাবান গ্রামীণ শিল্পীদের মধ্যে রাজু আহমেদ, তোফাজ্জল হোসেন, জাহিদ হাসান সবুজ, মোস্তফা হোসেন, মমিন হক্কানী, আরিফ হোসেন, মোস্তফা কামাল, রাতুল হাওলাদার, রিটা আকতার ও গোলাপ কিশোর।
যন্ত্রে ছিলেন এসএম স্বাধীন, প্যাডে- প্রবীর কুমার, বাঁশিতে- মিঠু মিয়া, ম্যান্ডলিনে- জুয়েল মাহমুদ, তবলায়- লাসেন আহমেদ। নৃত্য পরিবেশন করেন আবিদা আমিন ও মৃত্তিকা।
অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন সংস্কৃতিকর্মী শিরিন আকতার। পরিশেষে সংগঠনটির উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি টানা হয়।
সাম্প্রতিক মন্তব্য
কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
মন্তব্য লিখুন