মূল কনটেন্টে যান
আজঃ শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ -এ ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ - ২৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

ভূরুঙ্গামারীতে পুলিশি অভিযানে ভারতীয় গরু ও সচল সিমসহ তিনজন গ্রেপ্তার

ভূরুঙ্গামারীতে পুলিশি অভিযানে ভারতীয় গরু ও সচল সিমসহ তিনজন গ্রেপ্তার

এস এম নুরুল আমিন

এস এম নুরুল আমিন , ভূরুঙ্গামারী , কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ

প্রকাশিতঃ ১৯ জুলাই, ২০২৬, ৫:০৭ বিকাল আপডেটঃ ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:১৯ দুপুর
  • উপজেলা: ভূরুঙ্গামারী
  • জেলা: কুড়িগ্রাম
  • বিভাগ: রংপুর

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলায় সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে আনা ভারতীয় গরু, ভারতীয় মোবাইল ফোন ও সচল সিমকার্ডসহ তিন চিহ্নিত চোরাকারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার (১৮ জুলাই) দুপুরে উপজেলার শিলখুড়ি ইউনিয়নের শালঝোড় ঘাট এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এবং সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সীমান্তবর্তী শালঝোড় ঘাট এলাকায় ভূরুঙ্গামারী থানা পুলিশ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে নেতৃত্ব দেন ভূরুঙ্গামারী পুলিশ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মুনতাসির মামুন মুন এবং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আজিম উদ্দিন।

বিজ্ঞাপন

অভিযানকালে ভারতীয় গরু সন্দেহে আটটি গরুসহ চারজনকে আটক করা হয়। আটক ব্যক্তিরা হলেন—আশরাফুল আলম (৩৭), আল আমিন (৩০), নুর নবী (২৫) ও সবুজ (২১)। তাদের সবার বাড়ি উপজেলার শালঝোড় ও ঢলডাঙ্গা এলাকায়।

থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ ও যাচাই-বাছাই শেষে পুলিশ নিশ্চিত হয়, জব্দ করা গরুর মধ্যে দুটি ভারত থেকে কালজানি ঘাট এলাকার কাজিয়ার চর সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে বাংলাদেশে আনা হয়েছে। একই সঙ্গে আটক তিনজনের কাছ থেকে ভারতীয় চোরাই মোবাইল ফোন ও সচল ভারতীয় সিমকার্ড উদ্ধার করা হয়। তাদের মোবাইল ফোনের কললিস্ট পর্যালোচনায় ভারতীয় গরু ব্যবসায়ীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগের তথ্যও পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

তদন্তে অপরাধে সম্পৃক্ততা না পাওয়ায় বাকি ছয়টি গরু প্রকৃত মালিকানা যাচাই শেষে মালিকদের কাছে ফেরত দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সীমান্ত এলাকার গরু ব্যবসায়ীদের অবৈধভাবে গরু পরিবহন ও চোরাচালানে জড়িত না হওয়ার জন্য সতর্ক করা হয়েছে।

ভূরুঙ্গামারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আজিম উদ্দিন বলেন, ‘আটক ব্যক্তিদের মধ্যে তিনজনের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এবং সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। জব্দ করা দুটি গরুর বিষয়ে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

ভূরুঙ্গামারী পুলিশ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন বলেন, ‘ভূরুঙ্গামারী সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে দেশে প্রবেশ করা গরুর একটি বড় অংশ শালঝোড় রুট ব্যবহার করে। এ কারণে ওই এলাকায় নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে। সীমান্তে চোরাচালান প্রতিরোধে পুলিশ কঠোর অবস্থানে রয়েছে এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।’

তিনি সীমান্ত এলাকার বাসিন্দাদের চোরাচালানসহ রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকারও আহ্বান জানান।

মন্তব্য লিখুন

সাম্প্রতিক মন্তব্য

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

মতামত ও কলাম