আজঃ সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬ -এ ২ চৈত্র ১৪৩২ - ২৭ রমজান ১৪৪৭
  • আজ রংপুরের আবহাওয়া
• হঠাৎ বৃষ্টিতে হিলিতে তলিয়ে গেছে আলুর ক্ষেত • আলোচিত সেই পকেটমার র‍্যাবের হাতে গ্রেপ্তার • দিনাজপুর জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক হাসনা হেনা হীরার সাথে শেখপুরা শ্রমিক দলের সাক্ষাৎ • রংপুরে মোতাহার গ্রুপের উদ্যোগে ইউসেপের শিক্ষার্থীদের ঈদ উপহার প্রদান • গাইবান্ধা জেলা পরিষদ প্রশাসকের নিয়োগ পেলেন ডা. মইনুল হাসান সাদিক • হঠাৎ বৃষ্টিতে হিলিতে তলিয়ে গেছে আলুর ক্ষেত • আলোচিত সেই পকেটমার র‍্যাবের হাতে গ্রেপ্তার • দিনাজপুর জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক হাসনা হেনা হীরার সাথে শেখপুরা শ্রমিক দলের সাক্ষাৎ • রংপুরে মোতাহার গ্রুপের উদ্যোগে ইউসেপের শিক্ষার্থীদের ঈদ উপহার প্রদান • গাইবান্ধা জেলা পরিষদ প্রশাসকের নিয়োগ পেলেন ডা. মইনুল হাসান সাদিক

প্রতি লাখে ২০ হাজার টাকা ঘুষ নেন যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা

Nuclear Fusion Closer to Becoming a Reality6

মোঃ নাইম শাহ্

মোঃ নাইম শাহ্ , নীলফামারী সদর , নীলফামারী প্রতিনিধিঃ

আপডেটঃ 12 মার্চ, 2026

নীলফামারী সদর উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা ও গোড়গ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক মো. আলমগীর হোসেনের বিরুদ্ধে প্রতি লাখ টাকায় ২০ হাজার টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। তার অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) দুপুরে তিনি ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে এলে ইউপি সদস্য ও স্থানীয়রা তাকে প্রায় এক ঘণ্টা অবরুদ্ধ করে রাখেন।

অভিযোগ উঠেছে, ইউনিয়ন পরিষদের টি.আর, কাবিখা, কাবিটা প্রকল্পের রাস্তা-ঘাট সংস্কারসহ বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প ইউপি সদস্যদের বরাদ্দ দেওয়ার সময় প্রতিটি প্রকল্প থেকে লাখে ২০ হাজার টাকা করে নেন তিনি। এছাড়া আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ভিজিএফের চাল বিতরণের জন্য বরাদ্দ দেওয়া ৪০০টি কার্ড নিজের কাছে রেখে দিয়েছেন বলেও অভিযোগ করেন ইউপি সদস্যরা।

ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত নারী সদস্য বিলকিস বেগম বলেন, ‘আমাকে প্রায় ২ লাখ ৬০ হাজার টাকার একটি প্রকল্প দেওয়া হয়েছে। কাজটি শেষ করেছি, কিন্তু এখনো বিল পাইনি। কাজ দেওয়ার সময় প্রশাসক স্যার অগ্রিম ৪০ হাজার টাকা নিয়েছেন।’

আরেক সংরক্ষিত নারী সদস্য চম্পা রানী বলেন, ‘প্রশাসক স্যার যে সদস্যকে প্রকল্প দিয়েছেন, তার কাছ থেকেই টাকা নিয়েছেন। আমাকেও ২ লাখ ৬৩ হাজার টাকার একটি প্রকল্প দিয়েছেন। এর জন্য আমার কাছ থেকেও ৪০ হাজার টাকা নিয়েছেন। এটা নাকি তার প্রাপ্য।’

ইউপি সদস্য মশিউর রহমান বলেন,‘টি.আর, কাবিটা ও কাবিখা প্রকল্পের প্রতি লাখে ২০ হাজার টাকা দিতে হবে বলে জানিয়েছেন। আমিও তাকে দিয়েছি টাকা। এছাড়াও ভিজিএফ চালের ৪০০টি কার্ড তিনি নিজের কাছে রেখেছেন। সেগুলো কি করবেন আমাদের কিছুই বলেনি।’

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন প্রশাসক মো. আলমগীর হোসেন। তিনি বলেন,‘মেম্বারদের সঙ্গে আমার কোনো আর্থিক লেনদেন হয়নি। কেউ বলতে পারবে না আমি তাদের কাছ থেকে টাকা নিয়েছি। আজ আমাকে অবরুদ্ধ করা হয়নি, সবাই মিলে কিছু কথা হয়েছে।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোবাশ্বিরা আমাতুল্লাহ বলেন,‘অভিযোগগুলোর বিষয়ে আগে জানা ছিল না। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

মন্তব্য লিখুন

সাম্প্রতিক মন্তব্য

কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

সম্পাদকের কলাম

সাইদুর রহমান
সাইদুর রহমান
সাইদুর রহমান
সাইদুর রহমান

মতামত ও কলাম

ড. মাহফুজ পারভেজ
অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী
মামুন রশীদ
মো. নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া
ডঃ সাদিক আহমেদ বিপুল
image