পঞ্চগড়ে আকাশে উঁকি দিতে শুরু করেছে কাঞ্চনজঙ্ঘা
বাংলাদেশের উত্তর প্রান্তের সীমান্তবর্তী জেলা পঞ্চগড় যেন প্রকৃতির অনন্য লীলাভূমি। পাহাড়ঘেরা নয়, বরং সমতল এই জনপদকে অনেকে ডাকেন ‘হিমালয়ের কন্যা’ বলে। কারণ এখান থেকেই দেখা মেলে পৃথিবীর তৃতীয় উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ কাঞ্চনজঙ্ঘার মোহনীয় দৃশ্য। শরৎ-হেমন্ত এলে আকাশ মেঘমুক্ত হয়, শুভ্র পর্বতচূড়া ভেসে ওঠে নীল আকাশে। ভাদ্রের শেষ আর আশ্বিনের শুরুতেই তাই ভ্রমণপিপাসু মানুষ অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করে থাকেন এই অপার্থিব সৌন্দর্যের জন্য। সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত হাজারো দেশি-বিদেশি পর্যটকের ভিড়ে মুখর হয়ে ওঠে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া সীমান্তাঞ্চল।
মেঘ সরে পাহাড়ের উঁকি– শ্রাবণ-ভাদ্রের টানা বর্ষা শেষে যখন আকাশ থেকে ধীরে ধীরে সরে যায় ভারি মেঘের আস্তরণ, তখনই প্রকৃতি যেন খুলে দেয় নতুন অধ্যায়। আশ্বিনের প্রথম প্রহরে শুভ্র কাশফুল দোলে শরতের বাতাসে, নীলাভ আকাশে ভেসে ওঠে তুলার মতো সাদা মেঘ। ঠিক তখনই দিগন্তের ওপারে উঁকি দিতে শুরু করে মহিমান্বিত কাঞ্চনজঙ্ঘা— পৃথিবীর তৃতীয় উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ।

ঋতুচক্রের এই রূপান্তরে প্রতিদিনই নতুনভাবে ধরা দেয় হিমালয়ের কন্যা। শরৎ-হেমন্তের ভোরে সূর্যের প্রথম কিরণ যখন চূড়ায় স্পর্শ করে, তখন পাহাড় রাঙা হয়ে ওঠে রক্তিম আভায়। কিছুক্ষণের মধ্যেই সেই আভা বদলে যায়— কমলা, তারপর হলুদ, সোনালি হয়ে শেষে ফিরে আসে চিরচেনা শুভ্রতায়। বিকেলের শেষ আলোয় আবারও দেখা মেলে ভিন্ন এক রূপের, যেন পাহাড়ের শরীরে জ্বলে ওঠে গোধূলির মায়া।
এ সময় কয়েক মিনিটের জন্য আকাশে তৈরি হয় অদ্ভুত রঙের খেলা। কখনো মনে হয় আগুনে ঝলসে উঠেছে পর্বতচূড়া, কখনো মনে হয় তুলির আঁচড়ে গড়া জীবন্ত ক্যানভাস। প্রকৃতিপ্রেমী ও ভ্রমণপিপাসু মানুষের কাছে এই দৃশ্য তাই শুধু একটি পাহাড় নয়— এ যেন প্রকৃতির হাতে আঁকা স্বর্গীয় এক ছবি।
স্থানীয় ও দর্শনার্থীদের চোখে কাঞ্চনজঙ্ঘা– স্থানীয় শিক্ষক আসাদুজ্জামান বলেন, “শরৎ আর হেমন্তই কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখার সময়। ভোরে বা বিকেলে যখন সূর্যের আলো পড়ে, তখন মুহূর্তেই রং বদলায় পাহাড়ের চূড়া কালচে থেকে লাল, তারপর কমলা, হলুদ, সোনালি হয়ে শেষে সাদা— এই রূপান্তর দেখলে মনে হয় যেন প্রকৃতি নিজেই রং-তুলি দিয়ে ছবি আঁকছে।”
তেঁতুলিয়ার চা-শ্রমিক নয়ন পারভেজের কাছে কাঞ্চনজঙ্ঘা যেন প্রতিদিনের সঙ্গী। তিনি বলেন,
“আমরা তো কাজ করতে করতে প্রতিদিনই পাহাড় দেখি। কিন্তু ভোরে বা সন্ধ্যায় যখন মেঘ সরে গিয়ে পাহাড় লাল হয়ে ওঠে, তখনও মনে হয় নতুন কিছু দেখছি। বাইরের মানুষজন এলে তাদের দেখাতে আমাদের গর্ব হয়।”
ঢাকা থেকে ঘুরতে আসা পর্যটক মারুফা রহমানের অভিজ্ঞতা একেবারেই ভিন্ন। তিনি বলেন, “অনেক টাকা খরচ করে মানুষ নেপাল বা সিকিমে যায় এই দৃশ্য দেখার জন্য। অথচ আমাদের দেশের ভেতর থেকেই এত কাছ থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখা যায়— এটা সত্যিই অনন্য এক অভিজ্ঞতা। আমার মনে হয় পঞ্চগড় বাংলাদেশের ছোট্ট ‘হিমালয়-গেটওয়ে’।”
পঞ্চগড় সদর থেকে আসা কলেজছাত্র শাহরিয়ার হোসেন বলেন, “সোশ্যাল মিডিয়ায় কাঞ্চনজঙ্ঘার ছবি দেখেছি। কিন্তু সামনে দাঁড়িয়ে দেখা একেবারেই অন্যরকম। কয়েক মিনিটের মধ্যেই পাহাড়ের রং বদলাতে থাকে। মনে হয় একসঙ্গে অনেকগুলো সূর্যোদয়-সূর্যাস্ত চোখের সামনে ঘটছে।”
ভ্রমণপিপাসু নাহিদ হাসান জানান, “এত কাছ থেকে হিমালয় দেখার অভিজ্ঞতা আগে কখনো হয়নি। ভিসা-পাসপোর্ট ছাড়াই দাঁড়িয়ে থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখা সত্যিই অবিশ্বাস্য মনে হয়।”
তেঁতুলিয়া ডাকবাংলোর কেয়ারটেকার রহিম উদ্দিন বলেন, “প্রতিদিনই অনেক মানুষ এখানে আসে কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখার জন্য। মেঘ না থাকলে ভোরে বা বিকেলে খুব স্পষ্ট দেখা যায়। তখন পর্যটকদের উচ্ছ্বাস দেখলে আমরাও আনন্দ পাই যেন আমাদের এই সীমান্ত শহর জীবন্ত হয়ে ওঠে।”
তেঁতুলিয়া থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা দর্শন– পঞ্চগড় জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলা থেকে সবচেয়ে ভালোভাবে দেখা যায় কাঙ্ক্ষিত কাঞ্চনজঙ্ঘা। মহানন্দা নদীর তীরে অবস্থিত ঐতিহাসিক তেঁতুলিয়া ডাকবাংলো পিকনিক কর্নার এ জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয় স্থান। এখান থেকে শুধু হিমালয় নয়, ভারতের কালিম্পং শহরের যানবাহনের চলাচল, বৈদ্যুতিক আলোকসজ্জা, দার্জিলিংয়ের পাহাড়ি বসতি এমনকি সীমান্তরক্ষী বাহিনীর ওয়াচ লাইট পর্যন্ত দেখা যায়।
চা-বাগানের সবুজ গালিচার মাঝে দাঁড়িয়ে কাঞ্চনজঙ্ঘার রূপসৌন্দর্য উপভোগ করাও এক অন্য অভিজ্ঞতা। শরতের সকাল বা বিকেলে যখন সোনালি রোদে চা-বাগান আলোকিত হয়, তখন হিমালয়ের পাহাড় যেন আরও কাছে টেনে আনে দর্শনার্থীদের।
কাঞ্চনজঙ্ঘা আসলে কোথায়? উচ্চতায় ৮,৫৮৬ মিটার (২৮,১৬৯ ফুট) কাঞ্চনজঙ্ঘা পৃথিবীর তৃতীয় উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ। হিমালয় পর্বতমালার এই দৈত্যাকার শৃঙ্গ ভারতের সিকিম রাজ্য ও নেপালের পূর্বাঞ্চলীয় সীমান্তে অবস্থিত। মাউন্ট এভারেস্টের পূর্ব-দক্ষিণ-পূর্ব দিকে মাত্র ১২৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে এই পর্বত।
পাঁচটি পর্বতচূড়ার সমন্বয়ে গঠিত কাঞ্চনজঙ্ঘাকে স্থানীয়রা ‘তুষারের পাঁচ ঐশ্বর্য’ নামে ডাকেন। সিকিম ও দার্জিলিংয়ের মানুষ একে পবিত্র জেনে পূজা করে থাকে। প্রতিবছর লাখো পর্যটক ভারতের সিকিম ও নেপালে ভ্রমণ করে এই পর্বতের সৌন্দর্য উপভোগ করেন।
তেঁতুলিয়ায় দাঁড়িয়েই হিমালয় দর্শন– তবে বাড়তি আকর্ষণের বিষয় হলো, বাংলাদেশের পঞ্চগড় থেকেই কাঞ্চনজঙ্ঘার দেখা মেলে বিনা ভিসা-পাসপোর্টে। আকাশপথে এ শৃঙ্গের দূরত্ব তেঁতুলিয়া সীমান্ত থেকে মাত্র ১১ কিলোমিটার। তেঁতুলিয়া স্থলবন্দর বাংলাদেশের উত্তরতম প্রান্ত, এখান থেকেই হিমালয় যেন হাতের নাগালে মনে হয়। ভারতের শিলিগুড়ির দূরত্ব মাত্র ৮ কিলোমিটার, দার্জিলিং ৫৮ কিলোমিটার আর কাঞ্চনজঙ্ঘা মাত্র ১১ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে।
বাংলাদেশের উত্তরের প্রান্তিক উপজেলা তেঁতুলিয়া থেকেই সবচেয়ে ভালোভাবে দেখা যায় কাঙ্ক্ষিত কাঞ্চনজঙ্ঘা। মহানন্দা নদীর তীরে অবস্থিত শতবর্ষ পুরোনো তেঁতুলিয়া ডাকবাংলো পিকনিক কর্নার হলো এর মূল দর্শন কেন্দ্র। সেখান থেকে ভোর কিংবা বিকেলের আলোয় কাঞ্চনজঙ্ঘার অপার্থিব সৌন্দর্য স্পষ্টভাবে ধরা দেয় পর্যটকদের চোখে।
চা-বাগানের সবুজ গালিচার মাঝে দাঁড়িয়ে শ্বেতশুভ্র পর্বতের মহিমা দর্শনার্থীদের বিমোহিত করে রাখে দীর্ঘ সময়। আর সন্ধ্যায় ডাকবাংলোর আঙিনা থেকে চোখে পড়ে ভারতের কালিম্পং শহরের ঝলমলে আলো, দার্জিলিংয়ের পাহাড়ি জনপদ এবং সীমান্তরক্ষী বাহিনীর ওয়াচ লাইট— যা পুরো পরিবেশকে তৈরি করে ভিন্ন আবহে।
পর্যটকদের কাছে বিশেষ আকর্ষণ– ভোর হতেই স্থানীয়রা কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখতে অভ্যস্ত হলেও বাইরের পর্যটকদের কাছে এটি বিস্ময়ের। ভোরের প্রথম কিরণ পড়তেই যখন সাদা পাহাড় লাল আভায় রাঙা হয়ে ওঠে, তখন অনেকেই অভিভূত হয়ে পড়েন। অনেকে বলেন, এক পাহাড়ের ভেতর এত রঙের পরিবর্তন একসঙ্গে দেখার সুযোগ পৃথিবীতে বিরল।
পঞ্চগড়ের অন্যান্য দর্শনীয় স্থান– শুধু কাঞ্চনজঙ্ঘা নয়, পঞ্চগড়ে রয়েছে দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করার মতো অসংখ্য পর্যটন স্পট।
তেঁতুলিয়া ডাকবাংলো : শতবর্ষ পুরোনো ব্রিটিশ আমলের ডাকবাংলো, মহানন্দা নদীর তীরে। এখান থেকেই কাঞ্চনজঙ্ঘার সবচেয়ে মনোমুগ্ধকর দৃশ্য দেখা যায়।
চা-বাগান : দেশের সবচেয়ে বেশি সমতল চা-বাগান রয়েছে পঞ্চগড়ে। সবুজে ঘেরা এ চা-বাগান দর্শনার্থীদের কাছে অন্যতম আকর্ষণ।
বাংলাদেশের একমাত্র পাথর জাদুঘর : হিমালয় থেকে আসা নানা রঙের ও গঠনের পাথর নিয়ে গড়ে উঠেছে অনন্য এ জাদুঘর, যা পঞ্চগড় সরকারি মহিলা কলেজে অবস্থিত।
বার আউলিয়া মাজার শরিফ : পঞ্চগড় সদর উপজেলার শেষপ্রান্তে এবং আটোয়ারী উপজেলা শুরুতেই অবস্থিত সুফিদের ঐতিহাসিক মাজার, যেখানে প্রতিদিন অসংখ্য ভক্ত আসেন।
ভজনপুর জমিদারবাড়ি : ঔপনিবেশিক স্থাপত্যের নিদর্শন-এ জমিদারবাড়ি ইতিহাস প্রেমীদের কাছে অন্যতম দর্শনীয় স্থান।
বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর ও বিজিবি-বিএসএফের জয়েন্ট রিট্রিট প্যারেড : প্রতি শনি ও মঙ্গলবার বিকেলে এখানে আয়োজন করা হয় ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষীদের নান্দনিক পতাকা নামানোর প্যারেড, যা দর্শনার্থীদের জন্য বিশেষ অভিজ্ঞতা।
ঐতিহাসিক চন্দনবাড়ি ও দেবীডাঙ্গা শ্মশানটিলা, ভজনপুর বৌদ্ধ বিহার ধ্বংসাবশেষ, এবং নদী-ঘেরা প্রকৃতির টিলাময় সৌন্দর্য।
পঞ্চগড় জেলা প্রশাসনের ইকো পার্ক যা সদর উপজেলার ধাক্কামারা ইউনিয়নের মীরগড় এলাকায় অবস্থিত।
কীভাবে যাবেন?
ঢাকা থেকে পঞ্চগড় যাওয়া যায় কয়েকভাবে—
ট্রেনে : পঞ্চগড় এক্সপ্রেস, দ্রুতযান এক্সপ্রেস, একতা এক্সপ্রেস ও বাংলাবান্ধা এক্সপ্রেসে সরাসরি যাওয়া যায়।
বাসে : এসি ও নন-এসি উভয় ধরনের বাসে ঢাকা থেকে সহজেই পৌঁছানো সম্ভব।
বিমানে : ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে মাত্র ৪৫ মিনিটে পৌঁছানো যায় সৈয়দপুর বিমানবন্দরে, সেখানে নেমে মাত্র ২ঘন্টায় সড়কপথে পৌঁছানো যায় পঞ্চগড়ে।
পঞ্চগড় জেলা শহর থেকে তেঁতুলিয়ার দূরত্ব প্রায় ৪০ কিলোমিটার। সেখানে বাস বা প্রাইভেট গাড়িতে যাতায়াত সুবিধাজনক।
কোথায় থাকবেন?
সরকারি আবাসন : তেঁতুলিয়া ডাকবাংলো, সড়ক ও জনপদ, বন বিভাগ, শিক্ষা প্রকৌশল, জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তরের গেস্টহাউস, পুলিশের মেস।
বেসরকারি হোটেল : হোটেল দোয়েল, হোটেল স্কয়ার, হোটেল কাঞ্চনজঙ্ঘা, হোটেল সীমান্তের পাড়, কাঠের বাড়ি গেস্টহাউস, ইএসডিও পরিচালিত মহানন্দা কটেজ।
পর্যটন সেবা ও নিরাপত্তা–
তেঁতুলিয়া ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম, নর্থবেঙ্গল ট্যুরিজমসহ একাধিক প্রতিষ্ঠান পর্যটন সেবা দিয়ে আসছে।
ট্যুরিস্ট পুলিশ পঞ্চগড় জোনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাজেদুর রহমান বলেন,
“পঞ্চগড় একটি শান্তিপূর্ণ পর্যটন জেলা। কাঞ্চনজঙ্ঘা দর্শন মৌসুমে প্রতিদিন হাজারো পর্যটক আসেন। তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে পুলিশ ও প্রশাসন সর্বদা তৎপর।”
তেঁতুলিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আফরোজা শাহীন খুসরু বলেন,
“প্রতি বছর শরৎ-হেমন্ত মৌসুমে কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখতে ভিড় করেন অসংখ্য পর্যটক। থাকার ব্যবস্থা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সবধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।”
বাংলাদেশের উত্তরের একমাত্র জেলা পঞ্চগড়ই এমন একমাত্র জায়গা, যেখান থেকে ভিসা-পাসপোর্ট ছাড়াই কাছ থেকে দেখা যায় হিমালয়ের রাজকীয় শৃঙ্গ কাঞ্চনজঙ্ঘা। এই অপরূপ সৌন্দর্যের সঙ্গে মিলে গেছে চা-বাগান, ঐতিহাসিক নিদর্শন, নদী এবং সীমান্তের বৈচিত্র্যময় পরিবেশ, যা পর্যটকদের বারবার আকর্ষণ করে।
শরৎ ও হেমন্তের মৌসুমে পঞ্চগড় হয়ে ওঠে দেশি-বিদেশি পর্যটকের মিলনমেলা। কাঞ্চনজঙ্ঘার মোহনীয় দৃশ্যের সঙ্গে চা-বাগান, ঐতিহাসিক নিদর্শন ও সীমান্তবর্তী প্রাকৃতিক সৌন্দর্য একত্রিত হয়ে পঞ্চগড়কে দেশের অন্যতম সম্ভাবনাময় পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলেছে।
সাম্প্রতিক মন্তব্য
কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
মন্তব্য লিখুন