আজঃ বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ -এ ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ - ২৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮
  • আজ রংপুরের আবহাওয়া
• অনুমোদনের বাইরে সার মজুত, গুদাম থেকে ৯২০ বস্তা জব্দ—ডিলারের বিরুদ্ধে মামলা • ঘোড়াঘাটে ৫৩ পরিবারের জন্য বরাদ্দকৃত বিল শর্ত ভেঙে তৃতীয় পক্ষকে ইজারা • মধ্যপাড়া খনিতে উৎপাদনের গতি ফিরেছে, রাজস্বে নতুন সম্ভাবনা—বাধা রেলপথ • মুরগীর খামারে মাদকের আস্তানা : গাইবান্ধায় মাদকসহ দুই কারবারি আটক • কুড়িগ্রামে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত • অনুমোদনের বাইরে সার মজুত, গুদাম থেকে ৯২০ বস্তা জব্দ—ডিলারের বিরুদ্ধে মামলা • ঘোড়াঘাটে ৫৩ পরিবারের জন্য বরাদ্দকৃত বিল শর্ত ভেঙে তৃতীয় পক্ষকে ইজারা • মধ্যপাড়া খনিতে উৎপাদনের গতি ফিরেছে, রাজস্বে নতুন সম্ভাবনা—বাধা রেলপথ • মুরগীর খামারে মাদকের আস্তানা : গাইবান্ধায় মাদকসহ দুই কারবারি আটক • কুড়িগ্রামে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত

চলন্ত বাইকে ভিডিওর নেশা : ক্যামেরার ফ্রেমে বন্দি হয়েই ঝরে গেল শাওনের তাজা প্রাণ!

চলন্ত বাইকে ভিডিওর নেশা : ক্যামেরার ফ্রেমে বন্দি হয়েই ঝরে গেল শাওনের তাজা প্রাণ!

আনোয়ার হোসেন

আনোয়ার হোসেন , গাইবান্ধা সদর , গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ

প্রকাশিতঃ 17 আগস্ট, 2026, 3:20 দুপুর আপডেটঃ 10 সেপ্টেম্বর, 2026, 4:15 দুপুর
  • উপজেলা: গাইবান্ধা সদর
  • জেলা: গাইবান্ধা
  • বিভাগ: রংপুর

সোশ্যাল মিডিয়ায় একটু লাইক, একটু ভিউ পাওয়ার নেশা কতটা ভয়ংকর হতে পারে, এবার তার প্রমাণ মিলল। চলন্ত মোটরসাইকেলে মোবাইলে ক্যামেরা চালু রেখে ভিডিও ধারণ করতে গিয়ে মর্মান্তিক এক পরিণতি ডেকে আনলেন গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জের শাওন নামের এক তরুণ। মুহূর্তের আনন্দ আর উত্তেজনার খেসারত দিতে হলো নিজের জীবন দিয়ে।

আজ সোমবার সকাল ১১টার দিকে উপজেলার শাখাহার ইউনিয়নের কারেন্টের মোড় এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত শাওন মিয়া ওই ইউনিয়নের দাড়িদহর গ্রামের শাবলু মণ্ডলের ছেলে।

তখন ঠিক কী হয়েছিল? প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ৩০ বছর বয়সী শাওন দ্রুতগতিতে মোটরসাইকেল চালাচ্ছিল। এ সময় এক হাতে ফোন দিয়ে ভিডিও করছিলেন। গতির নেশা আর ক্যামেরার দিকে মনোযোগ—এই দুইয়ের বিভ্রাটে চোখের পলকে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন তিনি। রাস্তার পাশের একটি প্রাচীন গাছের সাথে সজোরে ধাক্কা লাগে তার বাইকটি।
মুহূর্তের মধ্যে চারপাশ স্তব্ধ হয়ে যায়। হেলমেট ভেঙে চুরমার হয়ে যায় তার মাথা। মাটিতে লুটিয়ে পড়েন শাওন। ‎পরে স্থানীয়রা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

যে মুঠোফোনটি দিয়ে তিনি জীবনের সুন্দর মুহূর্ত রেকর্ড করতে চেয়েছিলেন, সেই ফোনেই রয়ে গেল তার জীবনের শেষ মুহূর্তের আতঙ্ক আর আঁধার।

ঘটনার বিষয় নিশ্চিত করে গোবিন্দগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) স্বপন কুমার সরকার জানান, "পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় কোনো অভিযোগ এখন পর্যন্ত দেয়নি।''

একটি ভিডিও কি একটি তাজা প্রাণের চেয়ে দামি? শাওনের এই চলে যাওয়া আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল সেলফি বা ভিডিওর উন্মাদনা কতখানি মরণঘাতী হতে পারে। সন্তানহারা মায়ের কান্না, কিংবা স্বজনদের বুকফাটা আর্তনাদ—কোনো কিছুতেই আর ফিরিয়ে আনা যাবে না শাওনকে। আর কত জীবন গেলে আমাদের টনক নড়বে? রাস্তা কোনো স্টুডিও নয়, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এমন উন্মাদনা থেকে ফিরে আসুক আমাদের তরুণ প্রজন্ম।

মন্তব্য লিখুন

সাম্প্রতিক মন্তব্য

কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

সম্পাদকের কলাম

সাইদুর রহমান
সাইদুর রহমান
সাইদুর রহমান
সাইদুর রহমান

মতামত ও কলাম

ড. মাহফুজ পারভেজ
অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী
মামুন রশীদ
মো. নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া
ডঃ সাদিক আহমেদ বিপুল
image